Flying Kiss Row: রাহুলের ফ্লাইং কিস নিয়ে অগ্নিশর্মা স্মৃতিকে ধুয়ে দিলেন স্বাতী, মনে করালেন ব্রিজ ভূষণের কীর্তি
Flying Kiss Row: সংসদে রাহুল গান্ধীর ফ্লাইং কিস ছোড়ার অভিযোগ নিয়ে সরগরম রাজধানীর রাজনীতি। অগ্নিশর্মা হয়ে ওঠেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। রাহুলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন, অনেক মহিলা সাংসদ।
এই আবহে স্মৃতি ইরানিকে সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্টের মাধ্যমে ধুয়ে দিলেন দিল্লি মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন স্বাতী মালিওয়াল। টেনে আনলেন বিজেপি সাংসদ তথা কুস্তিগীরদের যৌন নির্যাতনে অভিযুক্ত ব্রিজ ভূষণ শরণ সিংয়ের প্রসঙ্গ।

স্বাতী মালিওয়াল টুইটার বা এক্স (X)-এ লিখেছেন, ফ্লাইং কিস ছোড়ার বিষয় নিয়ে আগুন লেগে গিয়েছে। কিন্তু দুই সারি পিছনেই তো বসে ছিলেন ব্রিজ ভূষণ নামের এক ব্যক্তি। অলিম্পিয়ান মহিলা কুস্তিগীরদের বুকে, কোমরে হাত বুলিয়ে যিনি যৌন নির্যাতন করেছেন। তাঁর কৃতকর্মে কেন এত রাগান্বিত হতে দেখা যায় না? বুঝতে অসুবিধা হওয়ার কথা নয় স্বাতীর নিশানায় রয়েছেন স্মৃতি ইরানিই।
हवा में फेंकी हुई एक कथित flying kiss से इतनी आग लग गई। 2 row पीछे एक आदमी बृजभूषण बैठा हुआ है। जिसने ओलम्पियन पहलवानों को कमरे में बुलाके छाती पे हाथ रखा, कमर पे हाथ रखा और यौन शोषण किया। उसके करे हुए पे ग़ुस्सा क्यों नहीं आता?
— Swati Maliwal (@SwatiJaiHind) August 9, 2023
উল্লেখ্য, ভারতের কুস্তি সংস্থার বিদায়ী সভাপতি তথা উত্তরপ্রদেশের প্রভাবশালী বিজেপি সাংসদ ব্রিজ ভূষণের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের অভিযোগ তুলে এফআইআর দায়ের করেছেন বজরং পুনিয়া, সাক্ষী মালিক-সহ ৬ কুস্তিগীর। ব্রিজ ভূষণের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সরকারের ভূমিকাতেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা। ধর্না অবস্থান থেকে আদালতের দুয়ারেও যেতে হয়। এখনও শাস্তি হয়নি ব্রিজের।

তার মধ্যে গতকালই দিল্লির আদালতে ব্রিজ ভূষণের বক্তব্য নিয়ে ফের শোরগোল পড়েছে। ব্রিজ ভূষণ ও তাঁর সহযোগী তথা ভারতের কুস্তি ফেডারেশনের সাসপেন্ডেড সহ সচিব বিনোদ তোমরের বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের বিষয় নিয়ে শুনানি চলছিল। ব্রিজ ভূষণের হয়ে মামলা লড়ছিলেন আইনজীবী রাজীব মোহন। তিনি কুস্তিগীরদের আনা অভিযোগ খণ্ডন করতে গিয়ে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করে বসেন।
আইনজীবীর মাধ্যমেই আদালতে ব্রিজ ভূষণ বলেছেন, যৌন বাসনা ছাড়া কোনও মহিলাকে জড়িয়ে ধরা ফৌজদারি অপরাধের মধ্যে পড়ে না। কুস্তিতে বেশিরভাগ কোচই পুরুষ। কুস্তিগীরদের সাফল্যে দেশের জন্য ভালো কিছু হলে উৎকণ্ঠার শেষে আনন্দে কাউকে জড়িয়ে ধরা অন্যায় নয়। যদি কোচ কোনও ছাত্রীকে আলিঙ্গন করেন, বুকে জড়িয়ে ধরেন তা অপরাধ বলে গণ্য হওয়া উচিত নয়।
ব্রিজের আইনজীবী আদালতকে বলেন, ব্রিজ ভূষণের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার কোনও প্রমাণ মেলেনি। তিনি শুধু আলিঙ্গন করেছিলেন। কুস্তিগীররা যে অভিযোগগুলি করেছেন তার অনেকগুলিই দিল্লির আদালতের অধিক্ষেত্রের বাইরে। ভারতের বাইরে হওয়া ঘটনা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি ছাড়া তা নিয়ে শুনানি এ দেশের আদালতে হতে পারে না।
উল্লেখ্য, গত ২০ জুলাই ব্রিজ ও তোমরকে মেট্রোপলিটন কোর্ট ২৫ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে শর্তাধীন আগাম জামিন দিয়েছে। আদালতের অনুমতি ছাড়া দেশের বাইরে যেতে পারবেন না। সাক্ষীদের প্রভাবিত করা থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications