মোদী-রাজ্যের দলিতমুখ জিগনেশ কংগ্রেসের পথে, বিজেপিকে হারাতে কৌশলী পদক্ষেপ রাহুলের
মোদী-রাজ্যের দলিতমুখ জিগনেশ কংগ্রেসের পথে, বিজেপিকে হারাতে কৌশলী পদক্ষেপ রাহুলের
কানহাইয়া কুমার একা নন, কংগ্রেসে যোগ দিতে চলেছেন দলিত নেতা জিগেনশ মেওয়ানিও। গুজরাতের দলিত নেতা জিগনেশের কংগ্রেসে যোগদান রাজ্যের বিধানসভা ভোটের আগে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। ২০১৭-র নির্বাচনে যে কৌশল নিয়ে তিন তরুণ-তুর্কি নেতাকে সামনে রেখে লড়াই করেছিল কংগ্রেস, এবারও কি সেই একই পরিকল্পনা নিয়েই এগোবেন রাহুল গান্ধীরা।

মোদী-বিরোধী ত্রিমূর্তির একজন জিগনেশ
২০২২-এ মোদী-রাজ্য গুজরাটে নির্বাচন হতে চলেছে। এবার সেই নির্বাচনে বিজেপিকে হারানোই প্রধান লক্ষ্য কংগ্রেসের। সেই লক্ষ্যে নিয়েই রাহুল গান্ধী এগোচ্ছেন। আর তার প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে জিগনেস মেওয়ানিকে কংগ্রেস যোগদান করাচ্ছে। প্রথমত দলিত মুখ জিগনেশ, দ্বিতীয়ত তিনি মোদী-বিরোধী ত্রিমূর্তির একজন। তাঁদের কাজে লাগিয়েই মোদীর বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে উদ্যোগী হয়েছে কংগ্রেস।

হার্দিক কংগ্রেসে, এবার জিগনেশ মেওয়ানিও
২০১৭-র নির্বাচনে কংগ্রেস তিন মূর্তির উপর নির্ভর করে গুজরাত নির্বাচন লড়তে নেমেছিল। প্রথম জন পতিদার নেতা হার্দিক প্যাটেল। দ্বিতীয় জন ওবিসি নেতা অল্পেশ ঠাকুর এবং তৃতীয় জন দলিত বনেতা জিগনেশ মেওয়ানি। প্রথম জন কংগ্রেসেই রয়েছেন। তিনি বর্তমান কংগ্রেসের ওয়ার্কিং প্রেসিডেন্ট। দ্বিতীয় জন কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে বিজেপিতে নাম লেখান। আর তৃতীয় জন জিগনেশ নির্দল বিধায়ক ছিলেন। এবার তিনি কংগ্রেসে যোগ দিতে চলেছেন।

২৮ সেপ্টেম্বর জিগনেশ-কানহাইয়ার যোগদান
মোট কথা ২০২২ নির্বাচনের আগে মোদী-রাজ্য গুজরাতে ফের সংঘটিত হতে চাইছেন বিরোধীরা। এবার কংগ্রেসের ছত্রছায়ায় এসেই তাঁরা লড়াই করতে চাইছে। সেইমতোই জিগনেশ ২৮ সেপ্টেম্বর যোগ দিতে চলেছেন কংগ্রেসে। জিগনশের সঙ্গে আর এক দলিত নেতা কানহাইয়া কুমার সিপিআই ছেড়ে যোগ দিতে পারেন কংগ্রেসে।

দলিতদের অন্যতম মুখ এবার কংগ্রেসের হাতে
এই মুহূর্তে জিগনেশের কংগ্রেসে যোগ দেওয়াটা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ আগামী বছরই গুজরাতে ভোট। তার আগে তরুণ-তুর্কি দলিত নেতা কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার অর্থ, রাজ্যে কংগ্রেস আরও সঙ্ঘবদ্ধ হবে। আর দলিতদের অন্যতম মুখকে সামনে রেখে লড়াই করলে সেই ভোট-ব্যাঙ্কও সহজে করায়ত্ত করতে পারবে।

মোদী-রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরতে দরকার জিগনেশকে
গুজরাতে ক্ষমতায় ফিরতে মরিয়া কংগ্রেস। তাই হার্দিক যখন কংগ্রেসে রয়েছেন, তখন জিগনেশ মেওয়ানির মতো নেতাকে কংগ্রেসে আনা বড় পদক্ষেপই বলতে হবে। ২০১৭ সালে তিনি গুজরাতের বিধানসভা নির্বাচনের আগে মোদী বিরোধী অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছিলেন। তাই কংগ্রেস মনে করছে ক্ষমতায় ফিরতে তাঁকে দরকার দলে।

মোদী বিরোধিতায় কানহাইয়াও কংগ্রেসে
২০২২ সালের আগে জিগনেশের যোগদানে কংগ্রেস লাভবানই হবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। গতবার জিগনেশের জয় নিশ্চিত করতে কোনও প্রার্থী দেয়নি কংগ্রেস। এবার তিনি সরাসরি কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েই লড়াই করতে পারবেন। সেইসঙ্গে বিহারের কানহাইয়া কুমার যদি কংগ্রেসে যোগদান করেন, তবে মোদী-বিরোধিতায় আরও জোরদার আওয়াজ তুলতে পারবে কংগ্রেস।












Click it and Unblock the Notifications