কিছুক্ষণের মধ্যেই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে Cyclone Tauktae, উত্তাল সমুদ্র! তৈরি জাতীয় বিপর্যয় দল
ধেয়ে আসছে বছরের প্রথম ঘূর্ণিঝড় তাউকটে। যেভাবে সাইক্লোন শক্তি পাকিয়ে ধেয়ে আসছে তাতে মনে করা হচ্ছে মঙ্গলবার সকালে এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে পারে সাইক্লোন আছড়ে পড়তে পারে গুজরাত উপকূলে।
ধেয়ে আসছে বছরের প্রথম ঘূর্ণিঝড় তাউকটে। যেভাবে সাইক্লোন শক্তি পাকিয়ে ধেয়ে আসছে তাতে মনে করা হচ্ছে মঙ্গলবার সকালে এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়তে পারে।
সাইক্লোন আছড়ে পড়তে পারে গুজরাত উপকূলে।

সাইক্লোনের অভিমুখ বিশ্লেষণ করে এমনটাই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা।
আর তাই গুজরাট এবং দুই উপকূলে এখন কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে। আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, আগামী তিন ঘণ্টার মধ্যে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
তবে যেভাবে সাইক্লোনটী ফুসছে তাতে আগামী ১২ ঘন্টায় অতি শক্তিশালী সাইক্লোনে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
গুজরাত ও দিউ উপকূলে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মৌসম ভবন পূর্বাভাসে জানাচ্ছে যে মঙ্গলবার দুপুরে গুজরাট উপকূলের পোরবন্দর, নালিয়া উপকূল ক্রশ করে যাবে। ফলে মৎস্যজীবীদের দ্রুত উপকুলে ফিরে আসতে বলা হয়েছে।
মৌসম ভবনের আশঙ্কা, এটি যেভাবে শক্তি পাকাচ্ছে তাতে আম্ফানকে হারিয়ে দিতে পারে গতিবিগের নিরিখে। এই অবস্থায় ভারতের আবহাওয়া দফতর উপকূলবর্তী পাঁচ রাজ্যের জন্য কড়া সতর্কতা জারি করেছে। ঘূর্ণিঝড় তাউকটে ১৭ থেকে ১৮ মে ম্যাসিভ সুপার সাইক্লোন হয়ে আছড়ে পড়তে পারে।
ইতিমধ্যে আরব সাগের বাসা বাঁধা নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে। আএমডি-র পূর্বভাস ১৬ মে-র তা সুপার সাইক্লোনে পরিণত হবে।
সর্বশেষ বুলেটিনে আইএমডি জানিয়েছে, ভারতের উপকূলে ১৭ থেকে ১৮ মে-র মধ্যে ১৫০ থেকে ১৬০ মাইল বেগে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় তাউকটে। এই ঘূর্ণিঝড়কে দুই দশকের মধ্যে সবথেকে ভয়ঙ্কর হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইএমডি। ৫ রাজ্যের উপকূলীয় অঞ্চলে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আসন্ন ঘূর্ণিঝড় তাউকটে বর মোকাবিলায় প্রস্তুতি পর্যালোচনা করতে শনিবার একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন। সরকার ও এনডিএফের শীর্ষ কর্মকর্তারা এই বৈঠকে অংশ নেবেন।
তার আগে আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে কেরল, কর্ণাটক, তামিলনাড়ু, গুজরাট এবং মহারাষ্ট্র উপকূলীয় অঞ্চলে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আর সে কারণে ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে।
শুধু তাই নয়, ঝড় যখন আছড়ে পড়বে তখন ব্যাপক ধ্বংসলীলা চালাতে পারে বলে আশঙ্কা। আর সেদিকে তাকিয়েই তৈরি রাখা হয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলকে। কেরল, কর্নাটক, তামিলনাড়ু, গুজরাত ও মহারাষ্ট্রে জাতীয় বিপর্যয় মেকাবিলা বাহিনীর পঞ্চাশটিরও বেশি দল মোতায়েন করা হয়েছে।
অন্যদিকে, কেরলের উপকূল সমুদ্র উত্তাল। একমিটারের ওপরে ঢেউ আছড়ে পড়ছে উপকূলে। ইতিমধ্যেই উপকূলে থাকা বহু বাড়ির ক্ষতি হয়েছে। বহু মানুষকে উপকূল এলাকা থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যেই বৃষ্টিজনিত কারণে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে।
মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে কোঝিকোড এবং এর্নাকুলাম থেকে।জলস্তর বেড়ে যাওয়ার জেরে মালাপ্পুরম-এ বহু বাড়ি জলের তলায় চলে গিয়েছে। কোডুংঙ্গালুর-এ ১০০ টি পরিবার ঘরছাড়া।
কোঝিকোডের বেপোর-গোথেশ্বরম বিচ রোড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যদিকে ত্রিশুরের কোদুঙ্গালুর এবং চাভাক্কাডে সমুদ্রের ঢেউ ধ্বংস লীলা চালাচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications