বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় তাউকটে আছড়ে পড়বে অন্ধকার নামতেই , ডেডলাইনের চ্যালেঞ্জ নিয়ে গুজরাত উপকূলে চরম তৎপরতা
একদিকে করোনার জেরে স্বজন হারার কান্না রাজ্যে। অন্যদিকে, ক্রমেই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার প্রহর গুনছে মোদী রাজ্য গুজরাত। এদিন বিকেল পার হতেই সন্ধ্যের অন্ধকার নামতে সেখানে তুমুল গতিতে আছড়ে পড়ার কথা এই বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড়ের। গুজরাতের এই প্রহর গোনার পালা যেন কিছুটা হলেও করোনাকালে বাংলার বুকে আম্ফানের স্মৃতি উস্কে দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে গুজরাত উপকূলে কী ঘটছে দেখা যাক।

১৮৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টয় সর্বোচ্চ গতি
জানা গিয়েছে সন্ধ্যে নামতেই গুজরাত উপকূলে আছড়ে পড়তে চলেছে সাইক্লোন তাউকটে। সেখানে প্রাথমিকভাবে হাওয়ার গতি ১৫৫ থেকে ১৬৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় থাকতে পারে বলে জানা গিয়েছিল। তবে সর্বোচ্চ গতি ১৮৫ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টায় থাকতে পারে। এই পরিস্থিতি রাতের অন্ধকারে কতটা ভয়ঙ্কর তা আগেই অনুমেয়।

কখন আছড়ে পড়বে ঝড়?
জানা গিয়েছে সন্ধ্যে ৮ টা থেকে রাত্রি সাড়ে ১১ টার মধ্যে সাইক্লোন তাউকটে আছড়ে পড়বে গুজরাত উপকূলে। ইতিমধ্যেই করোনা প্রোটোকল মেনে উপকূলবর্তী সমস্ত বাসিন্দাকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে এসে নিরাপদ স্থানে রাখার চ্যালেঞ্জে গুজরাতের বিজেপি শাসিত সরকার।

ডেডলাইন ও ১.৫ লাখ মানুষ
প্রসঙ্গত, ডেডলাইন রাত ৮ টার আগে পর্যন্ত সময়কাল। আর তারপর থেকেই বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় তাণ্ডবলীলা শুরু করতে পারে দ্বারকাধীশের দরবারে! দেবভূমি দ্বারকা থেকে পোরবন্দর, মরেলি, গির সোমনাথ, জুনাগড়, সুরাত , রাজকোট, মোরি, ভালসাদ, কচ্ছ, ভারুচ, আনন্দ, ভদোদরা, আহমেদাবাদের মতো ১৭ টি এলাকার ৬৫৫ টি গ্রাম আপাতত খালি করা হচ্ছে। বাসিন্দাদের নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নিরাপদ দূরত্বে। এখানের ১.৫ লাখ মানু,কে সন্ধ্যের মধ্যে নিরাপদ দূরত্বে সরিয়ে নেওয়ার ভার এখন প্রশাসনের হাতে। সামেন রয়েছে প্রাকৃতিক দূর্যোগের মতো কঠিন চ্যালেঞ্জ।

ঝড়ে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের বিকল্প কী?
ঝড়ের তাণ্ডবে বিদ্যুতের প্রবল বিভ্রাট গুজরাত জুড়ে দেখা যেতে পারে। অমন আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। এদিকে, কোভিড রোগী সহ বিভিন্ন আপৎকালীন পরিস্থিতিতে থাকা রোগীদের চিকিৎসায় হাসপাতালের বিদ্যুৎ যাতে বিচ্ছিন্ন না হয় , তার জন্য রূপানি সরকার ডিজেল চালিত বিদ্যুতের ব্যাক আপ রেখেছে। এনডিআরএফএর ৪১ টি দল, ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্সের ১০ টি দল সেখানে মজুত রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications