Cyclone Mocha: রিকার্ভের অপেক্ষায় অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড় মোখা! রেকর্ড গতিবেগে আছড়ে পড়তে পারে বাংলার উপকূলে
এখনও পর্যন্ত ভারতীয় আবহাওয়া দফতরের মডেলেই এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় মোচা। তবে তার প্রাবল্য বেড়ে এখন অতি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত। এদিন সকাল সাড়ে পাঁচটা নাগাদ এই ঘূর্ণিঝড়ের অবস্থান ছিল ১৩.২ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮.১ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
আগের থেকে ঘূর্ণিঝড়ে বেগ বেড়েছে। গত ছয় ঘন্টার নিরিখে প্রতিঘন্টায় ৯ কিমি করে এগিয়েছে মোখা। এই সময় ঘূর্ণিঝড় মোখার অবস্থান ছিল পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ৫২০ কিমি পশ্চিম উত্তর-পশ্চিমে। বাংলাদেশের কক্সবাজার থেকে ১০১০ কিমি দক্ষিণ দক্ষিণ-পশ্চিমে এবং মায়ানমারের সিটুই থেকে ৯৩০ কিমি দক্ষিণ দক্ষিণ পশ্চিমে।

আবহাওয়া দফতর মনে করছে, ১৪ মে রবিবার দুপুর নাগাদ এই ঘৃর্ণিঝড় বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব এংশের কক্সবাজার এবং মায়ানমারের সিটুই-এ ল্যান্ডফল করবে। সেই সময় অতিপ্রবল এই ঘূর্ণিঝড় বেগ থাকতে পারে ঘন্টায় ১৫০-১৬০ কিমি। ঘূর্ণিঝড়ের বেগ থাকতে পারে ঘন্টায় সর্বোচ্চ ১৭৫ কিমি।
এক্ষেত্রে বলে রাখা ভাল আবহাওয়া দফতর প্রথমে জানিয়েছিল এই ঘূর্ণিঝড়ের সর্বোচ্চ বেগ হতে পারে ঘন্টায় ১৩০ কিমি। কিন্তু বর্তমানে আবহাওয়া দফতরের তরফে যে বুলেটিন প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে জানানো হয়েছে ঘূর্ণিঝড়ের বেগ হতে পারে সর্বোচ্চ ঘন্টায় ১৭৫ কিমি।

ঘূর্ণঝড় গতিশীল। এর দিক পরিবর্তনের সম্ভাবনাও থাকে। তবে এই ঘূর্ণিঝড় গতিপথ পরিবর্তন করবে না বলেই মনে করছেন আবহাওয়াবিদরা। ফলে তার পশ্চিমবঙ্গের উপকূলে আসার সম্ভাবনা নেই। আর সেই কারণেই পশ্চিমবঙ্গের ওপরে এর তেমন কোনও প্রভাব পড়তে না বলেই মনে করছে আবহাওয়া দফতর।
তবে সাবথধানের মার নেই, এই প্রবচনে বিশ্বাস করে তৈরি রাখা হয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে। পশ্চিমবঙ্গের দিঘায় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর আটটি দলে ২০০ জন উদ্ধারকারীকে মজুত রাখা হয়েছে। ১০০ জনকে স্ট্যান্ডবাই রাখার কথাও জানিয়েছে এনডিআরএফ।

পূর্ব ভারতে থাকা উষ্ণ বাতাসের কারণে ঘূর্ণিঝড়ের পশ্চিমবঙ্গের দিকে আসার সম্ভাবনা নেই। সেই একই কারণে ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ বাংলাদেশ ও মায়ানমারের উপকূল, জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। মার্চ ও এপ্রিলে পশ্চিম এশিয়া অস্বাভাবিক উষ্ণ হয়ে উঠেছিল। আর সেই কারণে পশ্চিমবঙ্গ-সহ পূর্ব ভারতে একটানা উষ্ণ বাতাস, জানিয়েছেন আবহাওয়া বিজ্ঞানীরা।












Click it and Unblock the Notifications