Cyclone: ফের বঙ্গোপসাগরের বুকে চোখ রাঙাচ্ছে ঘূর্ণিঝড়, ধেয়ে আসবে ২ দিনের মধ্যেই
Cyclone: ফের ঘূর্ণিঝড়ের ভ্রুকূটি। চোখ রাঙাচ্ছে দক্ষিণ প্রান্তে। আঞ্চলিক আবহাওয়া কেন্দ্র (RMC) তামিলনাড়ুর সাতটি বন্দরের জন্য থার্ড লেভেল ঘূর্ণিঝড় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। চেন্নাই, কুড্ডালোর, নাগাপট্টিনাম, এন্নোর, কাট্টুপল্লী, পুদুচেরি এবং কারাইকাল - এই সকল এলাকায় ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
মধ্য পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের উপর একটি নিম্নচাপ তৈরি হওয়ার কারণে এই সতর্কতা জারি করা হয়েছে। আবহাওয়া বিভাগ আগামী ২৪ এবং ২৫ ডিসেম্বর ঝড়ের সাথে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। সেই সময় ঘূর্ণিঝড়টি দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের দিকে অগ্রসর হবে এবং উত্তর তামিলনাড়ু ও দক্ষিণ অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলের কাছে আছড়ে পড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ঘূর্ণিঝড় ফেঙ্গল গত ২৯ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বরের মধ্যে তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরিতে আঘাত হানে, ব্যাপক ধ্বংসলীলা চালায় সেটি। প্রায় ১২ জন প্রাণ হারান এবং ২ লক্ষ ১১ হাজার ১৩৯ হেক্টর কৃষি ও উদ্যানপালিত জমি প্লাবিত হয়, যার ফলে কৃষকদের উল্লেখযোগ্য ক্ষতি হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় ফেঙ্গল-এর জন্যে ১,৬৪৯ কিলোমিটার বৈদ্যুতিক তার, ২৩,৬৬৪টি বৈদ্যুতিক খুঁটি, ৯৯৭টি ট্রান্সফরমার, ৯,৫৭৬ কিলোমিটার রাস্তা, ১,৮৪৭টি কালভার্ট এবং ৪১৭টি জলের ট্যাঙ্ক সহ ব্যাপক ক্ষয় ক্ষতি হয় বিভিন্ন দিকে।
তামিলনাড়ু সরকার সেই জন্যে ৬৯ লক্ষ পরিবার এবং দেড় কোটি মানুষকে সাহায্য করেছে। ঘূর্ণিঝড়ের পরে, মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন জাতীয় দুর্যোগ প্রতিক্রিয়া তহবিল থেকে অন্তর্বর্তীকালীন ত্রাণ হিসাবে ২,০০০ কোটি টাকা দিয়েছে।
এদিকে, এবছর বর্ষার কারণে তামিলনাড়ু জুড়ে ভারী বৃষ্টিপাত দেখা দেয় প্রায় সারা সময় জুড়েই, যা এই মরসুমে ১৪ শতাংশ অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত এনেছে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। তামিলনাড়ুতে ৩৯৩ মিমি গড় বৃষ্টিপাতের বিপরীতে ৪৪৭ মিমি বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। চেন্নাইতে ৮৪৫ মিমি বৃষ্টিপাত হয়েছে, যেখানে কোয়েম্বাটোরে ৪৭ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
তামিলনাড়ুর জলাধার জুড়ে ক্রমবর্ধমান জল সঞ্চয়স্থান হল ১৯৫.৪৫৫ টিএমসি, এটি সম্পূর্ণ ক্ষমতার ২৪.৮২৪ টিএমসি কম। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই আবার ঘূর্ণিঝড়ের অশনি সংকেত ভয় ধরাচ্ছে স্থানীয় মানুষদের মনে।












Click it and Unblock the Notifications