Cyclone Dana: ১২০কিমি বেগে আছড়ে পড়বে সাইক্লোন 'দানা', এয়ারলিফট করা হচ্ছে এনডিআরএফকে, সতর্ক কোস্ট গার্ড
Cyclone Dana Landfall: ভয়ঙ্কর দুর্যোগের শঙ্কা। ইতিমধ্যে বঙ্গোপসাগরে জন্ম নিয়েছে সাইক্লোন 'দানা'। মঙ্গলবারই গভীর নিম্নচাপ সৃষ্টি হয়। পূর্বাভাস অনুযায়ী আজ সেটি ঘূর্ণিঝ়়ড় 'দানা'য় পরিণত হয়েছে। শুধু তাই নয়, আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সেটি তীব্র সাইক্লোনে পরিণত হবে বলে পূর্বাভাসে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।
এরপর সেটি ওডিশার ভিতরকণিকা এবং ধামারা দিয়ে স্থলভাগে ঢুকে 'হামলা' চালাবে (Cyclone Dana Landfall) বলে পূর্বাভাসে জানাচ্ছে মৌসম ভবন।

Cyclone Dana Landfall: পরিস্থিতি মোকাবিলায় তৈরি NDRF
ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১২০ কিমি বেগে আছড়ে পড়তে পারে সাইক্লোন দানা (Cyclone Dana Landfall) । ফলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। এই অবস্থায় ইতিমধ্যে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীকে (NDRF) তৈরি রাখা হয়েছে। যা খবর, বাংলার জন্য ১৪ টি দলকে তৈরি রাখা হয়েছে। সাগর সহ রাজ্যের বিভিন্ন উপকূল এলাকায় এনডিআরএফের টিমকে মোতায়েন করা হয়েছে। ইতিমধ্যে বাহিনীর জওয়ানরা ময়দানে নেমে পড়েছেন। সতর্কতামূলক প্রচারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে দ্রুত নিরাপদে সরাতে এনডিআরএফের সাহায্য নেওয়া হচ্ছে।
Cyclone Dana Landfall: সাহায্য করছে ভারতীয় বায়ুসেনা
ঝড় মোকাবিলায় তৈরি ভারতীয় বায়ুসেনাও (Indian Air Force)। দ্রুত এনডিআরএফ এবং ত্রাণ ওডিশায় পৌঁছতে ব্যবহার করা হচ্ছে ভারতীয় বিমান বাহিনীর দুটি বিমানকে ( two aircraft)। অন্যদিকে কোস্ট গার্ডকেও অ্যালার্ট করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। দ্রিত মৎস্যজীবীদের নিরাপদে ফিরে আসার কথা বলা হয়েছে। এই অবস্থায় গভীর সমুদ্রে কোস্ট গার্ডের তরফে নজরদারি চালানো হচ্ছে। আকাশপথে নজরদারি চলছে উপকূলবর্তী এলাকাতেও।
#CycloneDana | IAF lifted NDRF team, 150 personnel and relief material to Bhubaneswar, Odisha. One IL76 and AN 32 were flown in from Bathinda, Pu
— ANI (@ANI) October 23, 2024
(Pics: IAF) https://t.co/hOoLsTWxjX pic.twitter.com/BxsCUyYcpd
Cyclone Dana Landfall: ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা
তাণ্ডব চলবে পশ্চিমবঙ্গ সাগর সহ বিস্তীর্ণ অঞ্চলেও। ফলে ব্যাপল ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা। যদিও প্রাণহানি কমাতে নবান্নের তরফে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দিঘা সহ বিভিন্ন উপকূল এলাকা থেকে দ্রুত মানুষকে সরানোর কাজ শুরু হয়েছে। পর্যটক থেকে শুরু করে বহু মানুষকে সরানো হয়েছে। এমনকি সাগর সংলগ্ন এলাকা থেকেও মানুষকে সরানো হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে। রাজ্যের মন্ত্রী বঙ্কিম চন্দ্র হাজরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত এক লাখ মানুষকে উপকূল এলাকা থেকে সরানো হয়েছে।
এছাড়াও উপকূলবর্তী এলাকায় লাগাতার প্রশাসনের তরফে নজর রাখা হচ্ছে। মানুষকে সতর্ক করে করা হচ্ছে মাংকিং। দ্রুত যাতে নিরাপদ জায়গায় সরে যান সে বিষয়ে প্রচার চালানো হচ্ছে প্রশাসনের তরফে।












Click it and Unblock the Notifications