Cyclone Dana: 'চোখ' না থাকায় রক্ষে! মানুষ কাড়েনি ঘূর্ণিঝড় দানা, দেরিতে ল্যান্ডফলেই শক্তির বিনাশ
Cyclone Dana: ঘূর্ণিঝড় দানার প্রভাবে হয়নি মানুষের প্রাণহানি। ওড়িশা তো বটেই, বিধ্বংসী তাণ্ডবের হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে বাংলাও। উপড়ে গিয়েছে গাছ, টিনের চাল, বিদ্যুতের খুঁটি। ভেঙেছে বহু কাঁচাবাড়িও। তবে আশার আলো জাগিয়ে দেরিতে ল্যান্ডফল সম্পন্ন করে স্থলভাগেই শক্তি হারিয়েছে দানা।
মৌসম ভবন জানিয়েছে, অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের ক্ষেত্রে চোখ উৎপন্ন হয়। কিন্তু দানা ছিল কেবল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়। যার জেরে ঘূর্ণিঝড়ের চোখ উৎপন্ন হয়নি। ফলে তীব্রতা কিছুটা হলেও কম হয়েছে। ভুবনেশ্বরের আঞ্চলিক আবহাওয়া অধিকর্তা মনোরমা মোহান্তি বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের চোখ না থাকায় সাম্প্রতিক অতীতে যে সব ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়েছে, তার থেকে দুর্বল হয়েছে দানা।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ ওড়িশার ভিতরকণিকা ও ধামরার মাঝে আছড়ে পড়ে ঘূর্ণিঝড় দানা। কিন্তু রাত পেরিয়ে সকাল হলেও চলতে থাকে ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া। যার জেরে ভূপৃষ্ঠের সঙ্গে সংঘর্ষে শক্তি হারিয়েছে দানা। স্থলভাগে শক্তি সঞ্চয় করার আর সম্ভাবনাই ছিল না। সাধারণত ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা ল্যান্ডফলের সময়। কিন্তু তার থেকেও বেশি সময় নিয়েছে ঘূর্ণিঝড় দানা।
মনোরমা মোহান্তি জানান, ৮ থেকে ৯ ঘণ্টা ধরে সম্পন্ন হয়েছে দানার ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, পূর্ব ও পশ্চিম দিক বরাবর একটি ঘূর্ণাবর্ত বিরোধী চক্রের অবস্থান ছিল। যার জেরে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় বাধাপ্রাপ্ত হয় ও সারারাতের পর সারাদিন ধরে ল্যান্ডফল প্রসেস চলতে থাকে। আগামী ৫ ঘণ্টায় ঘূর্ণিঝড় গভীর নিম্নচাপে পরিণত হবে বলেও জানান তিনি।
তবে ঘূর্ণিঝড়ের লেজের প্রভাবে ব্যাপক ঝড়বৃষ্টি হতে পারে। দুর্যোগের মেঘ কাটবে না এখনই। ঘূর্ণিঝড়ের লেজের ঝাপটায় রাজ্যের বেশকয়েকটি জেলায় প্রবল বৃষ্টি হবে। সঙ্গে বজ্রপাতও হতে পারে বলে পূর্বাভাস। রাজ্যের হাওড়া, হুগলি, কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টি হবে। ১-২ মিটার পর্যন্ত জলোচ্ছাসও হতে পারে।












Click it and Unblock the Notifications