Cyclone Biparjoy: বিপর্যয়ের অশনি সংকেত পেতেই গুজরাতে জারি ১৪৪ ধারা, তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকলেন মোদী
ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়কে নিয়ে প্রমাদ গুণছে গুজরাত। প্রথমে IMD পূর্বাভাস দিয়েছিল পাকিস্তানের দিকে অভিমুখ রয়েছে ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়। কিন্তু বিপদমুক্ত নয় গুজরাত। সেটা ক্রমশ স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। গুজরাতের মাণ্ডভি এবং পাকিস্তানের করাচি বিমানবন্দরের মাঝে ল্যান্ডফল করবে বিপর্যয়।
যার জেরে গুজরাতে জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। গুজরাটের কচ্ছ উপকূলে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। আগামী ১৫ জুন দুপুরে ল্যান্ডফল করার কথা বিপর্যয়ের। ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার হতে পারে তার গতিবেগ। সর্বোচ্চ ১৫০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বইতে পারে।

তীব্র গতির কারণে গুজরাতের কচ্ছ এবং সৌরাষ্ট্রে সমুদ্র উত্তাল হতে শুরু করে দিয়েছে। সোমবার সকাল থেকে তীব্র ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়েেছ মুম্বইয়ে। ঝড়-বৃষ্টির জেরে ট্রেন চলাচল বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গুজরাতের উপকূলবর্তী জেলায় মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে।
আইএমডি সর্বশেষ যে রিপোর্ট দিয়েছে তাতে উত্তর এবং উত্তর পশ্চিম দিকে এগোতে শুরু করেছে সেটি গুজরাতের কচ্ছ এবং সৌরাষ্ট্র উপকূলের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়ার সময় তাণ্ডব দেখাতে শুরু করবে বিপর্যয়। গুজরাতের মাণ্ডবী এবং পাকিস্তানের করাচি বন্দরের মাঝে ল্যান্ডফল করবে ঘূর্ণিঝড়টি।

পরিস্থিতি পর্যালোচনায় তড়ি ঘড়ি বৈঠক ডেকেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। গুজরাত সরকারের সঙ্গে বিপর্যয় মোকাবিলার ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলছেন তিনি। আইএমডি ইতিমধ্যেই গুজরাতের উপকূলবর্তী এলাকায় মৎস্যজীবীদের সতর্ক করেছে। উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যেতে বলা হচ্ছে। ১২ থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত চরম বিপর্যয় চলবে গুজরাত উপকূলে বলে আশঙ্কার কথা শুনিয়েছে হাওয়া অফিস।
পোেরবন্দর থেকে ৪৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে বিপর্যয়। দ্বারকা থেকে ৪৯০ কিলোমিটার দূরে এবং কচ্ছ থেকে ৭৫০ কিলোমিটার দূের অবস্থান করছে। বিপর্যয়ের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে গুজরাতের একাধিক এলাকা। তারমধ্যে কচ্ছ, সৌরাষ্ট্র তো রয়েইছে এছাড়া দ্বারকা, পোরবন্দর, জামনগরম, মোরবি, জুনাগড়, রাজকোট। ঝড়ের দাপটে একাধিক কাঁচা বাড়ি ভেঙে পড়তে পারে। পাকা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একাধিক গাছ উপড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications