Cyclone Biparjoy: আকাশে কালো মেঘের ঘনঘটা, বিপর্যয়-র শক্তিবৃদ্ধিতে গতি পেল বর্ষা
Cyclone Biparjoy: আরব সাগরে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে বিপর্যয়। যদিও তাতে ভারতের উপরে কোনও প্রভাব পড়বে না। পাকিস্তানের দিকে অভিমুখ রয়েছে বিপর্যয়ের। ভারতের কাছে আরব সাগরে তৈরি হলেও পাকিস্তানের উপকূলে ল্যান্ড ফল করতে চলেছে ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়।
ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয় ইতিমধ্যে শক্তি বাড়িয়ে ফেলেছে। এবং তার গতিবেগ নেহাত কম নয়। গোয়া থেকে ৮৫০ কিলোমিচার দূরে অবস্থান করছে সেটি। মুম্বই থেকে তার দূরত্ব ৯০০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিম। আবার পোরবন্দর থেকে ৯৩০ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে তার অবস্থান। পাকিস্তানের করাচি থেকে তার অবস্থান রয়েছে ১২২০ কিলোমিটার। করাচি বন্দর উপকূলেই ল্যান্ডফল করার কথা ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের।

ইতিমধ্যেই আইএমডির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে আগামী ২ দিনে এই ঘূর্ণিঝড় আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে। ভয়ঙ্কর হতে চলেছে এর ল্যান্ডফল। এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণেই অনেকটা দেরি হয়ে গিয়েছে বর্ষার। দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর গতিশীলতার জন্য যেই কোনও সিস্টেম তৈরি হচ্ছিল সেই সেটা থেকে জলীয় বাষ্প সব শুষে নিচ্ছিল ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়।
আবার এই বিপর্যয়ের কারণেই থমকে থাকা দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু গতি পেয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেরলে প্রবেশ করতে চলেছে বর্ষা। ইতিমধ্যেই তার ইঙ্গিত মিলেছে। কালো মেঘে ভরে গিয়েছে আকাশ। দফায় দফায় বৃষ্টি নামছে। তার সঙ্গে দমকে দমকে হাওয়ার দাপট দেখা দিচ্ছে। বুধবার সকাল থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু এগোতে শুরু করেছে।

এদিকে ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের অভিমুখ পাকিস্তানের দিকে হলেও তার প্রভাবে ভারতের উপকূলবর্তি কয়েকটি রাজ্যে বর্ষণ হবে। আগামীকাল থেকে মহারাষ্ট্রের মুম্বই এবং পুণেতে বর্ষণ শুরু হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমডি। এছাড়া কেরল, কর্নাটকের উপকূলবর্তী এলাকা, লক্ষদ্বীপে বর্ষণ শুরু হয়ে গিয়েছে। তামিলনাড়ু এবং অন্ধ্রপ্রদেশেও কোথাও কোথাও বর্ষণ হবে।

ভারী বর্ষণ শুরু হয়ে গিয়েছে আন্দামান নিকোবরে। আগামী ১০ জুন পর্যন্ত কেরল, কর্নাটকে ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ৯ জুন থেকে আরব সাগর উত্তাল হয়ে উঠবে। সেকারণে মহারাষ্ট্র, গোয়া এবং কর্নাটকে মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। পর্যটকদেরও সতর্ক করা হয়েছে।
পাকিস্তানের উপকূলে আছড়ে পড়লেও গুজরাতে তার প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কারণ ১২ জুন থেকে গুজরাত উপকূলে বৃষ্টি শুরু হয়ে যাবে এবং সমুদ্র উত্তাল হয়ে উঠবে বলে জানিয়েছে আইএমডি। সেই সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে বইবে ঝোড়ো হাওয়া। ১৪ জুন পর্যন্ত গুজরাত উপকূলে বিপর্যয়ের প্রভাব থাকবে।












Click it and Unblock the Notifications