Cyclone Biparjoy: ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়-এ গুজরাতে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা! বহু ট্রেন বাতিল, প্রস্তুতি কেন্দ্রের
ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয়ের (Cyclone Biparjoy) শক্তি এদিন কিছুটা কমেছে। তবে আবহাওয়া দফতরের তরফে এদিন জানানো হয়েছে এখনও ঘূর্ণিঝড়ের যে শক্তি রয়েছে, তাতে ব্যাপক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন ভারতীয় আবহাওয়া বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র।
ছয় জুন ভোর সাড়ে পাঁচটায় দক্ষিণ-পূর্ব আরব সাগরের ওপরে তৈরি হয় ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয় (Cyclone Biparjoy)। গত আটদিনের বেশি সময় ধরে এটির শক্তি বর্তমান রয়েছে। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘূর্ণিঝড় বিপর্যয় নিয়ে পর্যালোচনা বৈঠক করেছিলেন। এদিন পর্যালোচনা বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

আবহাওয়া দফতর সতর্কবার্তায় জানিয়েছে, গুজরাতের কচ্ছ, দ্বারকা এবং জামনগর জেলা সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা। এই ঘূর্ণিঝড় ১৫ জুন সন্ধেয় গুজরাতের সৌরাষ্ট্র-কচ্ছ ছাড়াও মাণ্ডভি এবং পাকিস্তানের করাচির মধ্যে জাখাউ বন্দরের ওপর দিয়ে যাবে। যে সময় এর গতিবেগ থাকতে পারে ঘন্টায় ১২০-১৫০ কিমি।
আবহাওয়া দফতরের তরফে কচ্ছ, দ্বারকা, জামনগর ও পোরবন্দর জেলায় ১৩ থেকে ১৫ জুনের মধ্যে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে। রাজকোট, মোরবি ও জুনাগড়ে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১৫ জুন এইসব জেলায় ঘন্টায় ১৪৫ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া (Cyclone Biparjoy) বয়ে যেতে পারে। এর ফলে বাড়িঘর, বিদ্যুৎ ও যোগাযোগের খুঁটি, ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
সরকারের তরফে (Cyclone Biparjoy) আগাম প্রস্তুতি হিসেবে ২১ হাজারের বেশি নৌকাকে তীরে আনা হয়েছে। ঝুঁকির মধ্যে থাকা উপকূলবর্তী গ্রামের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। পর্যাপ্ত আশ্রয়স্থল তৈরির দাবি করেছে সরকার। এছাড়া ওষুধ ও জরুরি পরিষেবাও তৈরি রাখা হয়েছে। এসডিআরএফের ১০ টি টিমকে সেখানে পাঠানো হয়েছে।

এনডিআরএফের তিনটি দল আগে থেকে গুজরাতে ছিল। আরও বারোটি দলকে সেখানে পাঠানো হয়েছে। এছাড়াও ১৫ টি দলকে জরুরি ভিত্তিতে বিমানে করে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে আনা হচ্ছে। সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী উপকূলরক্ষী বাহিনীকে স্ট্যান্ডবাই রাখা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের (Cyclone Biparjoy) মোকাবিলায় তেলের কূপগুলি পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। সেইসব জায়গায় থাকা সব মানুষকে ফিরিয়ে আনতে নির্দেশ দিয়েছে সরকার। মুন্দ্রা এবং কান্দলা বন্দরকে সতর্ক করা হয়েছে। পাশাপাশি অন্য বন্দরগুলিকেও ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কুড়ি হাজারের বেশি মানুষকে ইতিমধ্যেই সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ট্রেন পরিষেব পুরোপুরি কিংবা আংশিক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডভিয়া জানিয়েছেন, কেন্দ্রের তরফে খাদ্য, রেশন, চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য ভিত্তিক জরুরি পরিষেবা তৈরি রাখা হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, উপকূল এলাকায় কাজ করা শ্রমিকদের সরানো হয়েছে। জাহাজ নোঙর করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications