শিলং-এ বহাল রাতের কার্ফু, সেনাবাহিনীর ফ্লাগমার্চ
মেঘালয়ের রাজধানী শিলং-এ দ্বিতীয় রাতের জন্যও কার্ফু বহাল। প্রথম দিনের রাতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দোকান জ্বালানো, বাড়িতে হামলা, গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এক পুলিশ আধিকারিক এইসব ঘটনায় আহত হয়েছেন।
মেঘালয়ের রাজধানী শিলং-এ দ্বিতীয় রাতের জন্যও কার্ফু বহাল। প্রথম দিনের রাতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। দোকান জ্বালানো, বাড়িতে হামলা, গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এক পুলিশ আধিকারিক এইসব ঘটনায় আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

শান্তির জন্য আবেদন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনা ডাকার পর ফ্লাগ মার্চও করে তারা। সংঘর্ষে যুক্ত থাকার অভিযোগে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
এদিন রাতের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটার পরেই শান্তি বজায় রাখতে রাত ১০ টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত কার্ফু জারি করা হয়েছে। শিলং-এ মোবাইল ইন্টারনেট এবং এসএমএস-এর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। গুজব ছড়ানো বন্ধ করতেই এই ব্যবস্থা বলে জানা গিয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে থেম লিউ মাওলং এলাকায় এক বাস কন্ডাক্টরকে মারধরের পরেই পুলিশ ও উন্মত্ত জনতার মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়ে যায়। এরপরেই লুমডিয়েনগিরি থানা এলাকায় কার্ফু জারি করা হয়। শুক্রবার বিকেল ৪ টে থেকে ক্যান্টনমেন্ট বিট হাউস এলাকায় কার্ফু জারি করা হয়।
যদিও কার্ফু অমান্য করেই বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে পাথর ছুড়তে থাকে। মাওখার ও মটফানের মধ্যে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠি চার্জ করা ছাড়াও কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটায়।
রডের আঘাতে আহত হয়েছেন শহরের পুলিশ সুপার স্টিফেন রিনজা। তাঁকে শিলং সিভিল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
অবৈধভাবে বসতি গড়ে তোলাদের বিরুদ্ধে সরকারের ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতেই, অশান্ত হয়ে উঠেছিল এলাকা।












Click it and Unblock the Notifications