মহারাষ্ট্রের অমরাবতী অগ্নিগর্ভ হিংসায়! পুলিশের লাঠিচার্জ, জারি হয়েছে কারফিউ
মহারাষ্ট্রের অমরাবতী শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। শতাধিক জনতার তাণ্ডবে দোকানপাট এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তি ধ্বংস হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতাকে বাগে আনতে লাঠিচার্জ করে।
মহারাষ্ট্রের অমরাবতী শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে। শতাধিক জনতার তাণ্ডবে দোকানপাট এবং ব্যক্তিগত সম্পত্তি ধ্বংস হয়েছে। স্থানীয় পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উত্তেজিত জনতাকে বাগে আনতে লাঠিচার্জ করে। তবু উত্তেজনা প্রশমিত করতে ব্যর্থ হয়। মহারাষ্ট্র পুলিশ পরে রাজ্য রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স নামায় চার কোম্পানি এবং আরও ১২৫ জন পুলিশ সদস্য পাঠায়।

অভিযোগ, এদিন সকালে পুলিশের উপস্থিতিতে দোকানপাট ধ্বংস করছে একদল উত্তেজিত জনতা। একজন মহিলা পুলিশ অফিসারকে লাঠিচার্জ করতে দেখা যায় বলে অভিযোগ। পুলিশ জনতাকে তাড়া করে তাদের ছত্রভঙ্গ করার ব্যর্থ চেষ্টা করে। শনিবার বিকেলে মহারাষ্ট্র পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, হিংসা অমরাবতী শহরের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে এবং পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
পুলিশ অফিসার জানান, আমরা এসআরপিএফের চারটি কোম্পানি এবং ১২৫ জন পুলিশকর্মী পাঠিয়েছি এবং প্রয়োজনে আরও পাঠাব।" অমরাবতী পুলিশ আধিকারিক নিশ্চিত করেছেন যে পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ ছিল, তবে বিকেলের মধ্যে নিয়ন্ত্রণে চলে আসে। তিনি বলেন, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা হিসাবে কারফিউ জারি করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকেলে অমরাবতীতে হিংসার ঘটনা ঘটে। তবে শনিবারের ভাঙচুরগুলি একটি রাজনৈতিক দলের তরফে করা হয়েছিল। শুক্রবার, অমরাবতী, নান্দেদ এবং মালেগাঁওতে হিংসা ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশের অনুমতি ছাড়াই একটি সমাবেশ হয়েছিল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিলীপ ওয়ালসে পাটিল শুক্রবার হিংসায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এবং রাজ্য বিজেপি হিংসার বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ জানাতে অমরাবতী বনধের ডাক দেয়।
শনিবারের হিংসার পরে শিবসেনা নেতা সঞ্জয় রাউত জানান, "শুক্রবার বনধ ডাকার কোনও কারণ ছিল না। যারা বন্ধের ডাক দিয়েছেন, তাঁদেরকেও হিংসার দায় নিতে হবে। কারণ বিজেপি ধর্মীয় বিভাজন বা বর্ণ বিভাজন বা দাঙ্গা বাধানো ছাড়া রাজনীতি করতে পারে না। একই ছবি দেখা যায় অমরাবতীতেও। যে সংগঠনটি প্রতিবাদের ডাক দিয়েছে তাদের হিংসা ছড়ানোর মতো শক্তি নেই। ওই সংগঠনকে বিজেপির সিস্টার সংগট বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।
মহারাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করতে এবং আইনশৃঙ্খলার সমস্যা তৈরি করার জন্য বিরোধীরা একটি বড় ষড়যন্ত্র করেছে বলে অভিযোগ সঞ্জয় রাউতের। তারা প্রথমে ইডি, সিবিআই, আয়কর এবং এনসিবি-র মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করেছিল। কিন্তু তারা সফল হতে পারেনি। তাই এখন তারা মহারাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করার জন্য দাঙ্গার আয়োজন করেছে। কিন্তু এখানেও তারা ব্যর্থ হবে।












Click it and Unblock the Notifications