'হঠাৎ সাত-আট রাউন্ড গুলি চলল', রোমহর্ষক মুহূর্তের কথা জানাতে গিয়ে শিউরে উঠলেন ওই পুলিশ কর্মী
হনুমান জয়ন্তীর মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘাত। আর তা ঘিরেই উত্তেজনা দিল্লির জহাঙ্গীরপুরি এলাকাতে। আর সেই ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দার ঝড়। ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পুলিশ প্রশাসন। এমনকি কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়েও ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করে
হনুমান জয়ন্তীর মিছিলকে কেন্দ্র করে সংঘাত। আর তা ঘিরেই উত্তেজনা দিল্লির জহাঙ্গীরপুরি এলাকাতে। আর সেই ঘটনায় দেশজুড়ে নিন্দার ঝড়। ঘটনায় প্রশ্নের মুখে পুলিশ প্রশাসন। এমনকি কেন্দ্রের ভূমিকা নিয়েও ইতিমধ্যে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বিরোধীরা। আর এর মধ্যেই চাঞ্চল্যকর বক্তব্য সামনে আনলেন মেদালাল মিনা।

শনিবার অর্থাৎ ঘটনার রাতে দিল্লি পুলিশের এই আধিকারিক গুরুতর আহত হন। তাঁর শরীরে গুলি লাগে। তিনিই এক সংবাদমাধ্যমকে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানিয়েছেন।
এনডিটিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আহত পুলিশ কর্মী জানিয়েছেন, দুই গোষ্ঠীর মধ্যে প্রথমে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কিন্তু মুহূর্তের মধ্যে তাঁদের আলাদা করে দেওয়া হয়। হনুমানজয়ন্তীর শোভাযাত্রাটিকে একটি রাস্তা দিয়ে বার করে দেওয়া হয়। দ্বিতীয় একটি রাস্তা দিয়ে আরও একটি সভাযাত্রা বের করে দেওয়া হয়।
কিন্তু কিছুটা এগোতে ফের একবার মুখোমুখি হয়ে যায় ওই দুই গোষ্ঠী। আর তাঁদের দুই জনের মধ্যে পুলিশ আটকে যায় বলে দাবি মেদালালের। শুধু তাই নয়, এই ঘটনায় আট পুলিশ কর্মী সহ এক নাগরিক আহত হন। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন মীনা। তবে কপাল জোরে প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন তিনি।
ঘটনার পরেই ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ২০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যার মধ্যে আসলাম বলে এক ব্যক্তিও আছে বলে জানা যাচ্ছে। পুলিশের দাবি, ওই ব্যক্তিই নাকি মিনাকে টার্গেট করে গুলি ছোঁড়ে। তবে অশান্তির পিছনে থাকা মূল মাস্টারমাইন্ডকেও ইতিমধ্যে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে খবর। মেদালাল মিনা ওই সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরও একাধিক বিষয় জানিয়েছেন।
তিনি জানান, শোভা যাত্রার সঙ্গেই তাঁর ডিউটি পড়েছিল। তবে তিনি পিছনে ছিলেন। কিন্তু যেই ঘটনা শুরু হয় সঙ্গে সঙ্গে সামনে চলে আসেন বলে জানিয়েছেন মীনা। তবে সেই সময়ে শুধুমাত্র ঝগড়াই চলছিল বলে দাবি। কিন্তু মুহূর্তে যে এত বড় ঘটনা ঘটে যাবে তা ভাবতেও পারেননি বলে দাবি ওই পুলিশকর্মীর।
দুই গোষ্ঠীই একে অপরকে টার্গেট করে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। শুরু হয়ে যায় ব্যাপক ইটবৃষ্টি। সেই সময়ে ওখানে মহিলা, পুরুষ এবং অনেক বাচ্চাও ছিল। তাঁদেরকে দ্রুত সরানোর কাজ শুরু করা হয়। আর এর মধ্যেই গুলি চলে বলে দাবি ওই পুলিশ কর্মীর। আর তাঁর হাতে গুলি লাগে। তবে ঠিক কে এই গুলি চালায় তা দেখেননি বলেই জানিয়েছেন মীনা।
এমনকি এর পিছনে কে বা কারা ছিল সেটিও দেখেননি বলেই জানিয়েছেন ওই পুলিশ আধিকারিক। তবে ঘটনার সময় সাত থেকে আট রাউন্ড গুলি চলে বলে দাবি তাঁর। জানা যাচ্ছে, সন্ধ্যায় আহত মীনাকে দেখতে তাঁর বাড়ি যান দিল্লি পুলিশ কমিশনার।












Click it and Unblock the Notifications