বজায় চিরাতরিত প্রথা, উত্তরাখণ্ডে ১৭ শতাংশ প্রার্থীর বিরুদ্ধে রয়েছে ফৌজদারি মামলা
বজায় চিরাতরিত প্রথা, উত্তরাখণ্ডে ১৭ শতাংশ প্রার্থীর বিরুদ্ধে রয়েছে ফৌজদারি মামলা
চলতি মাসেই পাঁচ রাজ্যে হতে চলেছে বিধানসভা নির্বাচন। ১৪ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন রয়েছে উত্তরাখণ্ডে। ইতিমধ্যেই অ্যাসোসিয়েশন ফর ডেমোক্রেটিক রিফর্ম (এডিআর)–এর পক্ষ থেকে এক রিপোর্টে বলা হয়েছে যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরাখণ্ডের ৬২৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৭ শতাংশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তবে ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে ৬৩৭ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৪ শতাংশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা ছিল বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

ফৌজদারি মামলা প্রার্থীদের বিরুদ্ধে
উত্তরাখণ্ড ইলেকশন ওয়াচ ও এডিআর ৬৩২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬২৬ জন প্রার্থীর স্ব-ঘোষিত হলফনামা বিশ্লেষণ করে দেখেছেন। ৭০টি বিধানসভা আসনের জন্য এ রাজ্যে ভোট হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। ৬২৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৬১ জন প্রার্থী (১০ শতাংশ) ঘোষণা করেছে তাঁদের বিরুদ্ধে গুরুতর ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যা ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সঙ্গে তুলনা করলে তা ছিল ৮ শতাংশ। জানা গিয়েছে, গুরুতর ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে পাঁচ বছর বা তার বেশি শাস্তি হয় যদি তা জামিন অযোগ্য ধারায় হয়। এ ধরনের অপরাধের মধ্যে রয়েছে হেনস্থা, খুন, অপহরণ, ধর্ষণ, দুর্নীতি ও মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধ সহ অন্যান্য।

দলীয় ভিত্তিতে ফৌজদারি মামলা
বিজেপি বা ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থীদের তুলনায় অধিকাংশ কংগ্রেস প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে। প্রধান দলগুলির মধ্যে কংগ্রেসের ৭০ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩৩ শতাংশ, বিজেপির ৭০ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ শতাংশ, আম আদমি পার্টির ৬৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ২২ শতাংশ, বহুজন সমাজ পার্টির ৫৪ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৯ শতাংশ ও উত্তরাখণ্ড ক্রান্তি দলের ৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে ১৭ শতাংশের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে বলে তাঁরা তাঁদের হলফনামায় জানিয়েছেন।

গুরুতর ফৌজদারি মামলা
অন্যদিকে গুরুতর ফৌজদারি মামলার ক্ষেত্রে, কংগ্রেসের ৭০ জন প্রার্থীদের মধ্যে ১৬ শতাংশ, বিজেপির ৭০ জন প্রার্থীদের মধ্যে ১১ শতাংশ, আপের ৬৯ জন প্রার্থীদের মধ্যে ১৩ শতাংশ, বসপার ৫৪ জন প্রার্থীদের মধ্যে ১১ শতাংশ ও ইউকেডি-এর ৪২ জন প্রার্থীদের মধ্যে ১০ শতাংশের বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে বলে নিজেদের হলফনামায় তাঁরা জানিয়েছেন।

ধর্ষণ, খুনের মামলা
ছ'জন প্রার্থী ঘোষণা করেছেন যে তাঁদের বিরুদ্ধে মহিলাঘটিত মামলা রয়েছে যার মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা। একজন ঘোষণা করেছেন তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রয়েছে এবং তিনজন প্রার্থী জানিয়েছেন যে তাঁদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা রয়েছে। এডিআর রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে যে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সত্ত্বেও কোনও রাজনৈতিক দলের ওপরই তার প্রভাব পড়েনি। উত্তরাখণ্ড বিধানসভা নির্বাচন ২০২২-এর ক্ষেত্রেও প্রার্থী বাছাইয়ে তারা তাদের পুরনো নীতি বজায় রেখে ১৭ শতাংশ এমন প্রার্থীকে টিকিট দিয়েছে যাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications