RG Kar-এ তদন্তে সমস্যার সম্মুখীন CBI, পাল্টা সওয়াল সিবালের, সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের মুখে রাজ্য
কুড়ি অগাস্টে দেওয়া সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো এদিন আরজি কর হাসপাতাল নিয়ে স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেয় সুপ্রিম কোর্ট এবং রাজ্য সরকার। তারপরেই প্রধান বিচারপতি জুনিয়র চিকিৎসকদের কাজে ফেরার আহ্বান জানান। তাঁদের আশ্বস্ত করে বলেন, কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
অন্যদিকে, সিবিআই-এর তরফে এদিন শুনানির সময় বলা হয়, ঘটনার পাঁচ দিন পরে তারা তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছেন। তথ্য জোগার নিয়ে তারা সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। কারণ অপরাধের জায়গা পাল্টে গিয়েছে। সেই সময় রাজ্য সরকারের আইনজীবী কপিল সিবাল বলেন, কিছুই পাল্টায়নি সবকিছুর ভিডিওগ্রাফি করা হয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টে প্রশ্নের মুখে রাজ্য সরকার
এদিন সওয়াল জবাবের সময় প্রধান বিচারপতির প্রশ্নের মুখে পড়েন রাজ্য সরকারের আইনজীবী। প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, সকাল ১০.১০-এ অপরাধের ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। আর অপরাধের এলাকা সুরক্ষিত করা হয়েছে ১১.৩০-এ। ফলে খুনের জায়গায় তথ্যপ্রমাণ লুটের আশঙ্কা করছে সুপ্রিম কোর্ট।
প্রধান বিচারপতি প্রশ্ন করেন, যদি সন্ধে সাড়ে ছটা থেকে সাড়ে সাতটার মধ্যে ময়নাতদন্ত হয়, তাহলে রাত ১১.৪৫-এ এফআইআর কেন? অপর বিচারপতি পারদিওয়ালা বলেন, মামলাটি মর্মান্তিক। গত ৩০ বছরে এমন ঘটনা দেখেননি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তিনি বলেন পুরো বিষয়টিই চমকপ্রদ। আর বাংলার পুলিশের আচরণ লজ্জাজনক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
অভিযুক্তের ডাক্তারি পরীক্ষার রিপোর্ট কোথায়?
স্ট্যাটাস রিপোর্ট পড়ার সময় প্রধান বিচারপতি জানতে চান, আসামীর আঘাতের মেডিক্যাল রিপোর্ট কোথায়। এই সময় পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইনজীবী বলেন, এই অংশটি কেস ডায়েরির। আসামীর ডাক্তারি পরীক্ষা হয়েছে কিনা, তা জানতে চান। সেই সময় সলিসিটর জেনারেল বলেন, সেটি তারা এখনও পাননি। ঘটনার পাঁচদিন পরে সিবিআই তদন্তে নেমেছে। আর আগে কলকাতা পুলিস তদন্ত করে। সেই সময় কপিল সিবাল বলেন, সরকার কেস ডায়েরি দিয়েছে। সম্পূর্ণ টাইমলাইনও দেওয়া আছে।
ডাক্তারদের ৩৬ ঘণ্টা কাজ নিয়ে উদ্বেগ
প্রধান বিচারপতি এদিন চিকিৎসকদের ৩৬ ঘন্টা কাজ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, সরকারি হাসপাতালে তিনিও গিয়েছেন। নিতি নিজেও সরকারি হাসপাতালের মেঝেতে ঘুমিয়েছন, যখন কেউ ছিল না।
আগের দিনও প্রশ্ন করেছিল সুপ্রিম কোর্ট
মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ চিকিৎসকের নির্মম মৃত্যুর ঘটনায় এফআইআর দায়েরে দেরির জন্য আরজি কর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল। ময়নাতদন্তেই জানা গিয়েছিল চিকিৎসককে খুন করা হয়েছে, রাত সাড়ে আটটায় দেহ দেওয়া হয়েছিল পরিবারের হাতে, তাহলে কেন এফআইআর দায়ের করতে রাত ১১.৪৫ হয়েছিল, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কী করছিল, সেই প্রশ্ন করে সর্বোচ্চ আদালত।
সর্বোচ্চ আদালতের প্রশ্ন ছিল, কেন তৎকালীন হাসপাতাল সুপার ঘটনাকে আত্মহত্যা বলেছিলেন? তিনি কি চিকিৎসককে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা বুঝতে অক্ষম ছিলেন, সেই প্রশ্নও করেছিল সর্বোচ্চ আদালত।












Click it and Unblock the Notifications