রবিবার কার্ফু-তে থাকা দেশের একাধিক শহর বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে
করোনার অতিমারীর পর্বের মধ্যে আদই ভারতে সবচেয়ে বেশি দৈনিক আক্রান্তের তথ্য সামনে এসেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে দৈনিক আক্রান্ত ২ লাখ ৬১ হাজারের বেশি মানুষ। এদিকে, এমন পরিস্থিতিতে আগে থেকেই দেশের একাধিক শহরে করোনা নিয়ন্ত্রণে লাগু হয়েছে সপ্তাহ শেহের কার্ফু। প্রসঙ্গত, এমন পরিস্থিতিতে যখন স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখা বড় ইস্যু দেশবাসীর সামনে, তখন ব্যবসায়িক দিক থেকে বহু মানুষ করুণ পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছেন বলেও খবর রয়েছে।

স্তব্ধ কোলাহল, রুদ্ধ শহর
চেনা কোলাহল থেকে অনেক দূরে আপাতত মুম্বই, পুনে , লখনউয়ের মতো শহর। সেখানে সকাল থেকেই সপ্তাহ শেষের কার্ফুর জেরে স্তব্ধ রয়েছে স্বাভাবিক জনজীবন। একই পরিস্থিতি ভোপাল থেকে চণ্ডিগড়ে।

ছত্তিশগড়ের পরিস্থিতি
দিল্লি, মুম্বইয়ের মতো ছত্তিশগড়ে করোনার বাড়বাড়ন্তের ফলে বহু জায়গায় বেডের অভাব দেখা যাচ্ছে। এদিকে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে রায়পুরে লকডাউনের সময়সীমা বাড়ানো হয়েছে। আর তা এখন ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত বর্ধিত রয়েছে।

উত্তর প্রদেশ
উত্তর প্রদেশে প্রতি রবিবার লকডাউন লাগু হয়েছে। তার জেরে আজ গোটা উত্তরপ্রদেশ কার্যত স্তব্ধ। এদিকে, ভিন রাজ্য থেকে উত্তরপ্রদেশে আসা পরিযায়ী শ্রমিকরা এদিন যোগীরাজ্যের বুকে এসেও নিজের গন্তব্যে পৌঁছতে সমস্যায় পড়েন। ফলে ফের একবার বহু পরিযায়ী শ্রমিককে পথ হেঁটে ঘরে ফিরতে দেখা যায়।

দিল্লি দ্বিতীয় দিনের কার্ফুতে
এদিকে সপ্তাহান্তের কার্ফ দিল্লিতে আজ দ্বিতীয় দিনে পড়ল। যাঁরাই রাজধানীতে লকডাউন মানছেন না, তাঁদের কড়া হাতে দমন করতে দেখা গেল পুলিশকে। এদিকে, মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল আগেই জানিয়েছেন যদি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হয়, তাহলে লকডাউনের সংখ্যা বাড়তে পারে দিল্লিতে। সেই জায়গা থেকে দিল্লির পরিযায়ী শ্রমিক সমস্যা এখন বড় চ্যালেঞ্জের মুখে। দিন মজুরদের কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে লকডাউন রীতিমতো বড় পরীক্ষার সামনে ফেলছে দিল্লির মতো শহরের প্রশাসনকে।

মুম্বই
১৪৪ ধারা লাগু হয়ে গিয়েছে মহারাষ্ট্রের বিভিন্ন জায়গায় । আর সেই ধারা লাগুর ক্ষেত্রে পুলিশ বেশ কড়া। এদিকে, মুম্বই, পুনে, নাগপুর শহর থেকে বহু পরিযায়ী শ্রমিক ঘরে ফিরতে শুরু করেছেন। এদিকে, এভাবে লকডাউন ও কার্ফুর ফলে গোটা দেশের বিভিন্ন শহর ব্যবসাগতভাবে পিছনে পড়ে যেতে শুরু করেছে। বহু রেস্তোরাঁ হোম ডেলিভারি করলেও বহু ক্ষেত্রেই তাদের অবস্থা খারাপের দিকে, পথ চলতি ভেন্ডাররা রুজি রোজগার নিয়ে বিপাকে রয়েছেন। কার্ফুর সম.সীমার দেরে দোকান বন্ধ থাকায় বহু ব্যবসায়ীও আর্থিক ক্ষতির মধ্যে পড়ছেন বলে জানিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications