এখনও চলছে পরীক্ষা, জাতীয় অপরিহার্য তালিকায় নেই করোনার ভ্যাকসিন
এখনও চলছে পরীক্ষা, জাতীয় অপরিহার্য তালিকায় নেই করোনার ভ্যাকসিন
মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জাতীয় অপরিহার্য ওষুধের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকায় করোনার ওষুধ বা ভ্যাকসিনের নাম নেই বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডাভিয়া বলেন, জাতীয় অপরিহার্য ওষুধের তালিকা প্রকাশ করা একটা দীর্ঘমেয়াদি কাজ। এরজন্য ৩৫০ জন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া হয়। নিরাপত্তা, ক্রয়ক্ষমতা এবং সহজলভ্যতার ভিত্তিতে ওষুধগুলোকে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। তবে এই তালিকায় করোনার ওষুধ ও ভ্যাকসিনের নাম নেই। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, করোনা ভ্যাকসিন ও ওষুধের এখনও ট্রায়াল চলছে, সেই কারণে ওই ভ্যাকসিন বা ওষুধগুলোকে তালিকাভুক্ত করা হয়নি।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডাভিয়া টুইট করে বলেন, তালিকার ভিত্তিতে ওষুধগুলোর সর্বোচ্চ মূল্য নির্ধারণ করা হবে। ওষুধগুলোর সর্বোচ্চ মূল্য ন্যাশনাল ফার্মা প্রাইসিং অথরিটি নির্ধারণ করবে। কোনও ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা যাতে নিজের ইচ্ছামতো ওষুধের দাম বাড়াতে না পারে, সেই কারণেই কেন্দ্রের তরফে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন। পাশাপাশি তিনি জানিয়েছেন, ওষুধগুলোর সর্বোচ্চ দাম নির্ধারন করা একটি জটিল ও দীর্ঘ প্রক্রিয়া।
জাতীয় অপরিহার্য ওষুধের তালিকার পাশাপাশি তাদের সর্বোচ্চ মূল্যধারণের ক্ষেত্রে অ্যান্টিবায়োটিক, ভ্যাকসিন ও অ্যান্টি ক্যানসারের ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে। ক্যানসার চিকিৎসার খরচ কমাতে এবং ওষুধকে আরও সাশ্রয়ী করতে ও রোগীর ব্যয় নিয়ন্ত্রণ করতে ওষুধের দাম ঘোষণার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ভারতী প্রবীণ পাওয়ার জানিয়েছেন, জাতীয় অপরিহার্য ওষুধের তালিকা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তালিকা। প্রাথমিক, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্তরের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। অন্যদিকে, কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ জানিয়েছেন, ভারতে অনুমোদিত এবং লাইসেন্সপ্রাপ্ত ওষুধগুলিই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত। এনইএলএম-এর মধ্যে জনস্বাস্থ্য সংক্রান্ত একাধিক রোগ ও তারজন্য অতি প্রয়োজনীয় ওষুধগুলো অন্তর্ভুক্ত করা রয়েছে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৫ সালের তুলনায় বর্তমান তালিকায় ৩৪টি নতুন ওষুধকে যুক্ত করা হয়েছে। পুরনো ২৬টি ওষুধকে তালিকা থেকে বাইরে বের করা হয়েছে। মূলত কমদামে পাওয়া যায় ও নিরাপদ ওষুধগুলোকেই তালিকায় রাখা হয়েছে। বেশ কিছু ওষুধের উপাদানে এমন কিছু উপস্থিতি দেখতে পাওয়া গিয়েছে, যা ক্যানসারের কারণ। সেই ওষুধগুলোকে বাতিল করা হয়েছে। ২০১১-এর তালিকায় ৩৪৮টি ওষুঝ অন্তর্ভুক্ত ছিল। ২০১৫ সালের তালিকায় ৩৭৬টি ওষুধ অন্তর্ভুক্ত ছিল।












Click it and Unblock the Notifications