২৫০ টাকায় মিলবে কোভিড ভ্যাকসিনের ডোজ, কেন্দ্র-সিরাম চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে
২৫০ টাকায় মিলবে কোভিড ভ্যাকসিনের ডোজ, কেন্দ্র-সিরাম চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে
অক্সফোর্ডের কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন জরুরিকালীনের জন্য ভারতের বাজারে নিয়ে আসতে সোমবারই সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া ড্রাগ নিয়ামকের কাছে আবেদন জমা দিয়েছে। মঙ্গলবারই সিরামের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে দেশের সরকারের সঙ্গে সরবরাহের চুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা শীঘ্রই শেষ হবে।

২৫০ টাকায় মিলবে ভ্যাকসিন ডোজ
জানা গিয়েছে, কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রতিটি ডোজের মূল্য ২৫০ টাকার মতো। বিশ্বের সবচেয়ে বড় ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক পুনের সিরাম ইনস্টটিউটের এক কর্মকর্তা, যিনি এ বিষয়ে অবগত তিনি বলেন, ‘সরবরাহ চুক্তিতে সাক্ষরের কথাবার্তা এখন প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে এবং তা খুব শীঘ্রই শেষ হবে। তবে এটা এখনও স্পষ্ট নয় যে সিরাম কতগুলি ডোজ ভারতের হাতে তুলে দেবে, তবে সূত্রের খবর সিরামের পক্ষ থেকে ভারতের হাতে ৬ কোটি ডোজ দেওয়া হবে। এই ভ্যাকসিন ডোজের সংখ্যা পরবর্তী জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসে ১০ কোটিও হতে পারে বলে সেরকমই জানিয়েছে সিরাম।

সিরামের প্রতিশ্রুতি
টুইটে সিরামের সিইও আদর পুনাওয়ালা প্রতিশ্রুতি দিয়ে জানিয়েছেন যে এ বছরের শেষের দিকেই ভ্যাকসিন ডোজ পাবে দেশ। টুইটে বলা হয়েছে, ‘সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া প্রথ ভারতে প্রস্তুত হওয়া ভ্যাকসিন কোভিশিল্ডের জরুরিকরণের জন্য আবেদন করেছে। এটি অগণিত জীবনকে রক্ষা করবে এবং আমি এর জন্য ভারত সরকার ও শ্রী নরেন্দ্র মোদী জিকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।' অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন তৈরি হচ্ছে পুনের এসআইআই প্ল্যান্টে এবং তা নিয়ামক সংস্থআর অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

প্রথমে ৬ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ পাবে সরকার
সিরামের হাতে বর্তমানে ৪ কোটি কোভিড ভ্যাকসিন ডোজ রয়েছে, যা বিপুল চাহিদার জন্য মোটেও পর্যাপ্ত নয়। সরকারের এখন ৬ কোটি ভ্যাকসিনের ডোজ প্রয়োজন যা প্রথম অগ্রাধিকার অনুযায়ী স্বাস্থ্য কর্মী, পুরনিগম এবং গণ পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের ওপর প্রয়োগ করা হবে। এরপর তা উপলব্ধ হবে জনসংখ্যার দুর্বল ক্ষেত্রের মানুষদের জন্য।

কেন্দ্রের প্রয়োজন ৪০–৬০ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ
রিপোর্টে বলা হয়েছে, ‘আগামী বছরের জুলাই পর্যন্ত টিকাদানের জন্য সরকারের প্রয়োজন ৪০-৬০ কোটি ভ্যাকসিন ডোজ প্রাথমিক স্তরে এবং এসআইআই এর একটি বড় অংশ সরবরাহ করবে।' সিরাম ইনস্টিটিউট সরকারের পাশাপাশি কাজ করছে বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন ও গাভির সঙ্গে। যারা সিরামের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে নিম্ন ও মাঝারি আয়ের দেশগুলিকে ভ্যাকসিন সরবরাহের জন্য।












Click it and Unblock the Notifications