কোভিডের নতুন স্ট্রেন এক্সই-র সংক্রমণ বাড়ছে, আবার মাস্কের ব্যবহারে জোর বিশেষজ্ঞদের
কোভিডের নতুন স্ট্রেন এক্সই-র সংক্রমণ বাড়ছে, আবার মাস্কের ব্যবহারে জোর বিশেষজ্ঞদের
করোনার ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের অত্যন্ত সংক্রমণ ক্ষমতা সারা বিশ্বে তৃতীয় (কোথাও কোথাও চতুর্থ) ওয়েভে এনেছিল। ভারত তৃতীয় ওয়েভের সেই ধাক্কা সামলে উঠেছে। দেশে কোভিডবিধি শিথিল হওয়া থেকে বেশিরভাগ রাজ্যেই উঠে গিয়েছে৷ কিন্তু নতুন করে চিন্তা বাড়াচ্ছে কোভিডের নতুন স্ট্রোন এক্সই। ওমিক্রনের একটি সাব ভেরিয়েন্ট এই এক্সই যা মূল ভাইরাস থেকে অন্তত ১০ গুণ বেশি সংক্রামক বলে আগেই চিহ্নিত করেছে রাষ্ট্রসংঘ। এবার ভারতের চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন যে এক্সই কোভিডের হাত থেকে বাঁচতে আবার নতুন করে স্বেচ্ছায় মাস্ক পরার অভ্যেস করুন সাধারণ মানুষ। তৃতীয় ওয়েভ থেকে মুক্ত হওয়ার পথে শেষ দু'মাসে সারা দেশে মাস্কের ব্যবহার অন্তত ৫০ শতাংশ কমে গিয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷

যদিও দেশে মাস্কের ব্যবহার কমলেও এখনও পর্যন্ত কোভিড সংক্রমণে তার কোনও প্রভাব পড়েনি। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলছেন কোভিডবিধি না মানা আরও বড় বিপদ ডেকে আনতে পারে৷ যেখানে এক্সই-র মতো অতি সংক্রামক করোনা স্ট্রেন ইতিমধ্যেই মুম্বই রোগীর শরীরে পাওয়া গিয়েছে৷ স্বাস্থ্যসেবা বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, মাস্ক করোনভাইরাসের সমস্ত রূপের বিরুদ্ধে একমাত্র সবচেয়ে কার্যকর হস্তক্ষেপ। টানা দু'বছরেরও বেশি সময় পরে, মহারাষ্ট্র এবং দিল্লিতে বাধ্যতামূলক মাস্ক পরা সম্প্রতি প্রত্যাহার করা হয়েছে। প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়েভে করোনা সংক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে জনসাধারণের মধ্যে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক ছিল এবং এই প্রোটোকল অনুসরণ না করলে ২০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার নিয়মও ছিল। ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন এক্সই-র বিরুদ্ধে একটি সতর্কতা জারি করেছে।
এক্সই ওমিক্রনেরই একটি নতুন রূপ যা প্রথম যুক্তরাজ্যে সনাক্ত করা হয়েছিল। হু-র মতে পএটি এখন পর্যন্ত যেকোনও করোনা স্ট্রেনের চেয়ে বেশি সংক্রমণযোগ্য হতে পারে। এক্সই হল আদপে ওমিক্রনের একটি সাব ভেরিয়েন্ট। ওমিক্রনের দুটি স্ট্রেন বিএ ১ এবং বিএ.২ এর সংমিশ্রণ। ফেব্রুয়ারিতে ওমিক্রনের তরঙ্গ কমতে শুরু করার পর থেকে ভারতে নতুন এই স্ট্রেনের প্রভাব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, বিশেষজ্ঞরা বলেন যে আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই তবে জনসাধারণের মধ্যে স্বেচ্ছায় মাস্কের ব্যবহারের প্রয়োজন রয়েছে। প্রসঙ্গত মুম্বইয়ে পর গুজরাট শনিবার এক্সই ভেরিয়েন্টের প্রথম কেস সনাক্ত করেছে। কর্তৃপক্ষ মুম্বাই থেকে আসা এক ব্যক্তির দেহ থেকে নেওয়া নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং এই ফলাফল পেয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications