গুজরাতের সরকারি হাসপাতালে কোভিড রোগীকে মাটিতে ফেলে মারধর, ভিডিও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়

সরকারি হাসপাতালে কোভিড রোগীকে মাটিতে ফেলে মারধর

গুজরাতের রাজকোটের পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় নামে এক সরকারি হাসপাতালের কোভিড শাখায় এক রোগীকে নীচে ফেলে মারধরের অভিযোগ উঠল নার্সিং ও নিরাপত্তা কর্মীর বিরুদ্ধে। এই ভিডিও বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। যদিও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি যে কর্মীরা শুধু অবাধ্য রোগীকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।

গুজরাতের সরকারি হাসপাতালে কোভিড রোগীকে মাটিতে ফেলে মারধর, ভিডিও ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়


৫৫ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, এক প্যারামেডিক্যাল কর্মী রোগীকে মাটিতে চেপে ধরে রয়েছে তার হাঁটু দিয়ে, অন্যরা এবং নিরাপত্তা রক্ষী রোগীকে ধরে রয়েছে, তাদের মধ্যে একজনের হাতে লাঠি রয়েছে। সাদা রঙের পিপিই কিট পরা প্যারামেডিক্যাল কর্মীকে ওই রোগীর উদ্দেশ্যে বলতে শোনা গিয়েছে, '‌আমি তোমাকে বলেছিলাম এটা না করতে।’‌ ওই কর্মী পুলিশ আসার কথাও বলে ওই রোগীকে। ওই রোগী যখন হাসপাতাল কর্মীদের হাত থেকে রেহাই পাওয়ার জন্য ছটফট করছে, তখন নিরাপত্তা রক্ষী তার পা রোগীর কাঁধে রাখে এবং প্যারামেডিক্যাল কর্মী রোগীর মুখে চড় মারতে শুরু করে। এক মহিলা কর্মী রোগীকে বলেন, 'করোনার কারণে কিছুই হবে না তোমার।’‌‌

বৃহস্পতিবার সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর স্থানীয় টিভি চ্যানেলগুলিতে তা সম্প্রচার হয়। হাসপাতালের পক্ষ থেকে ওই রোগীকে সনাক্ত করা হয়, যার নাম প্রভাশঙ্কর পাটিল, বয়স ৩৮ বছর। পিডিইউ হাসপাতালের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, '‌ভিডিওতে দেখানো রোগীর কোভিড পজিটিভ ধরা পড়ে এবং ওই রোগী মারণ সংক্রমণের কারণে এখনও পজিটিভ রয়েছেন। এর পাশাপাশি ওই রোগীর ডায়বেটিস ও হাইপারটেনশনও রয়েছে। আমাদের মনোরোগ বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী, ভিডিও শুট করার সময় তাঁর হিস্টেরিয়া শুরু হয় এবং তিনি এখানে ওখানে দৌড়াতে শুরু করেন এবং ওই রোগী ইনট্রা–ভেনাস ও রাইল টিউব খুলে ফেলার চেষ্টা করেন। নার্সিং কর্মী ও হাসপাতালের চিকিৎসকরা লক্ষ্য করেন যে ওই রোগী তাঁর পোশাক খুলে ফেলেছেন এবং এমন আচরণ করছেন যার জন্য নিজেই আহত হতে পারেন এবং অন্যকেও আঘাত করতে পারেন। যখন তাঁকে কিছুতেই বুঝিয়ে বাগে আনা যাচ্ছিল না, তখন তাঁকে প্রতিরোধ করা হয়।’‌

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এও জানান যে প্রভুশঙ্করকে বাধা দেওয়ার জন্য মনোরোগ বিভাগের সঙ্গে পরামর্শ করে তাঁকে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়। তাঁকে এমনভাবেই বাধা দেওয়া হয়েছিল যাতে কোনওভাবে তিনি আহত না হন এবং ইঞ্জেকশনের পর তাঁর অন্য চিকিৎসাও শুরু করে দেওয়া হয়। পিডিইউ হাসপাতালের পক্ষ থেকে বলা হয় যে তারা তাদের সব কোভিড১৯ রোগীদের সেরা যত্ন নেয়। এখানে ৪০০ থেকে ৫০০ জন রোগীর চিকিৎসা চলে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মীরা যথেষ্ট ভালো চিকিৎসা করেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+