উর্ধ্বমুখী কোভিড, মাস্ক বাধ্যমূলক করল দিল্লি, না পরলে জরিমানা ৫০০
উর্ধ্বমুখী কোভিড, মাস্ক বাধ্যমূলক করল দিল্লি, না পরলে জরিমানা ৫০০
শেষ কয়েকদিনে দেশের রাজধানীতে আরও একবার কোভিড সংক্রমণের উর্ধ্বমুখী। কোভিড সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণে, দিল্লি সরকার বুধবার জনবহুল জায়গাতে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেছে। যারা এই নিষেধাজ্ঞা মানবে না তাদের ৫০০ টাকা জরিমানা করার কথাও বলেছেও দিল্লি সরকার৷ যদিও দিল্লি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ (ডিডিএমএ), এখুনিই স্কুলগুলি বন্ধ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে একটি পৃথক স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি নিয়ে আসার কথা ভাবছে দিল্লি সরকার৷ সূত্রের খবর খুব শীঘ্রই মাস্ক বাধ্যতামূলক ব্যবহারের বিষয়ে একটি অফিসিয়াল আদেশ জারি করতে চলেছে কেজরিওয়াল সরকার৷

কী বলছেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর?
সামাজিক জমায়েতের উপরও কড়া নজর রাখতে এবং জাতীয় রাজধানীতে কোভিড পরীক্ষার সেন্টার ও হার বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জানা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল নিজে পুরো করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন এবং ভাইরাসের বিস্তার এবং কোভিড রোগীদের চিকিৎসার প্রস্তুতির জন্য পদক্ষেপ নিতে চিকিৎসা বিভাগের কর্মকর্তাদের নির্দেশ জারি করা হয়েছে।

দিল্লিতে কড়া নিয়ম মেনে তবেই স্কুল!
দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বৈজাল কোভিড পরিস্থিতি পর্যালোচনা করার জন্য ডিডিএম-এর ৩৬ তম সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং সেখানেই সর্বজনীন স্থানে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে৷ যদিওমঅনিল বৈজাল জানিয়েছেন, ছাত্রদের বৃহত্তর স্বার্থে, মাস্ক বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে একটি উপযুক্ত জরিমানা আরোপ করা উচিত। পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে পরামর্শ করে কোভিড -১৯ প্রতিরোধ ও পরিচালনার জন্য স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতি মেনে স্কুল পরিচালনার কথা বলেছেন বৈজাল। স্কুলগুলিতে এই পদ্ধতির কঠোর প্রয়োগ নিশ্চিত করা উচিত বলে মনে করেন দিল্লির এলজি৷

আরটিপিসিআর ও জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ে জোর দিতে বলছেন বিশেষজ্ঞরা!
সূত্রের খবর দিল্লির ডিডিএমএ সভায়, করোনা টিকা ও বুস্টার দেওয়ার উপর জোর দেওয়া হয়েছে৷ কারণ টিকা ও মাস্কই মহামারীর প্রভাব নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা৷ যদিও দেখা গিয়েছে দিল্লিতে নতুন কোভিড কেস বৃদ্ধি হওয়া সত্ত্বেও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা কম। তাই চিকিৎসকরা বলছেন এখনিই আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। যদিও গবেষকরা বলেছেন যে হাসপাতালে ভর্তির প্রবণতাগুলি পরবর্তী ওয়েভের জন্য নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা দরকার এবং সেই সঙ্গে আরটিপিসিআর টেস্টের মাধ্যমে সমস্ত ইতিবাচক নমুনার জিনোম সিকোয়েন্সিং পরিচালনা করা দরকার।












Click it and Unblock the Notifications