কোভিড-বিশেষজ্ঞদের কেন্দ্রকে পরামর্শ, ৫০ হাজারের নীচে আটকান দৈনিক সংক্রমণ
কোভিড-বিশেষজ্ঞদের কেন্দ্রকে পরামর্শ, ৫০ হাজারের নীচে আটকান দৈনিক সংক্রমণ
করোনার তৃতীয় ঢেউ নিয়ে চিন্তিত দেশের গবেষকরা৷ প্রথম ঢেউ তো বটেই, দ্বিতীয় ঢেউতেও নাজেহাল অবস্থা হয়েছিল গোটাদেশের৷ তবে এখনও ভয় কাটেনি। বিশেষজ্ঞদের মতে, চলতি বছরের অক্টোবর মাসের আগেই দেশে আছড়ে পড়তে পারে তৃতীয় ঢেউ। এখন তুলনামূলকভাবে সংক্রমণ কম থাকলেও তৃতীয় ঢেউয়ের আগে প্রতিদিন আক্রান্ত সংখ্যা যেন ৫০ হাজার না ছাড়ায়। কেন্দ্র সরকারকে সে বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বললেন কোভিড পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রনের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকরা।

নিয়ম মানলেই নিয়ন্ত্রণে থাকবে সংক্রমন
প্রথমের চেয়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে অধিক সংখ্যক মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা তৃতীয় ঢেউয়ে প্রতিদিন ৪-৫ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হতে পারেন৷ কাজেই দ্বিতীয় ঢেউয়ের নিম্নগতিতে যেন তেন প্রকারেণ সরকারকে প্রতিদিন আক্রান্ত সংখ্যা ৫০ হাজারের মধ্যে বেঁধে রাখতে অনুরোধ করলেন আধিকারিকরা৷ তাঁদের মতে, গণটিকাকরণ এবং সঠিকভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললেই এমনটা খুব সহজে হওয়া সম্ভব৷

এখনও ৫০ হাজারের নীচেই দৈনিক সংক্রমন
এখনও পর্যন্ত দ্বিতীয় ঢেউয়ের নিম্নগতিতে এই সংখ্যার কমেই থাকছে প্রতিদিনের আক্রান্ত সংখ্যা। শনিবার গোটা দিনে ভারতে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৯ হাজারের কাছাকাছি মানুষ। রবিবারও দৈনিক করোনা সংক্রমিতের সংখ্যাটা ৫০ হাজারের নীচেই ঘোরাফেরা করছে৷ তবে দেশে শহর অপেক্ষা গ্রামের দিকে ক্রমাগত সংক্রমণ বেড়ে চলায় চিন্তায় পড়েছে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারগুলি। সারা দেশে লকডাউন না থাকলেও বিভিন্ন রাজ্যের একাধিক জায়গাতে এলাকাভিত্তিক লকডাউন চলছে সংক্রমণ কমিয়ে আনার জন্য৷

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রনে রাখতে ও তৃতীয় ওয়েভের জন্য কী পদক্ষেপ?
গবেষকদের প্রস্তাবিত অক্টোবরের আগেই দ্রুত ও বেশি মাত্রায় কোভিডের টিকাকরণ সম্পূর্ণ করতে চাইছে কেন্দ্র৷ তৃতীয় ওয়েভ আছড়ে পড়ার আগেই বেশি সংখ্য ভারতবাসীকে অন্তত একটি ডোজ দেওয়ার চেষ্টা করছে মোদী সরকার৷ পাশপাশি রাজ্যগুলিতে জেলা ভিত্তিক একাধিক কোভিড কেয়ার সেন্টার তৈরি করার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে কেন্দ্র। যেখানে পর্যাপ্ত পরিমানে অক্সিজেন, ওষুধ থেকে কোভিড টেস্ট কিটের ব্যবস্থা করতে চলেছে কেন্দ্র।












Click it and Unblock the Notifications