করোনার দ্বিতীয় ওয়েভের চেয়েও এখন ভারতে বেশি R-ভ্যালু, চিন্তার কথা শোনাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা
ভারত সহ সারা পৃথিবী জুড়ে ক্রমেই বেড়ে চলেছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। নতুন বছরের শুরু থেকেই সারা বিশ্বজুড়ে কার্যত দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে করোনা সংক্রমণ। একদিনে সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ মানুষ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তার মধ্যে শুধু মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লক্ষ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এই অবস্থায় ভারতেও লাফিয়ে বাড়ছে করোনার দৈনিক সংক্রমণ। তবে যে বিষয়টি এখানে সবচেয়ে বেশি উল্লেখযোগ্য তা হল, একদিকে যেমন ডেল্টা এবং ডেল্টা প্লাসের সংক্রমণ রয়েছে তার সঙ্গে কিন্তু পাল্লা দিয়ে বাড়ছে নতুন করোনা ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের সংক্রমণ।

ভারতে গড়ে সংক্রমণের পজিটিভিটি রেট পাঁচ শতাংশের ওপরে পৌঁছে গিয়েছে। যা গত বছরের ডিসেম্বরের শেষ পর্যন্ত ১.১% ছিল। এবং এর ফলেই করোনা মহামারী দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে।
ভারতে আরও একটি বিষয় অত্যন্ত আশঙ্কাজনক, যে কথা উল্লেখ করেছেন স্বয়ং নীতি আয়োগের সদস্য চিকিৎসক ভিকে পাল। তিনি বলেছেন, এই মুহূর্তে ভারতের আর ভ্যালু ২.৬৯। যা করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সর্বোচ্চ সীমায় যা ছিল তার থেকেও অনেকটাই বেশি। দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় তা ছিল ১.৬৯ শতাংশ যা ইতিমধ্যে অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে।
এই আর ভ্যালু এই মুহূর্তে ২.৬৯ বলতে বোঝায় একজন মানুষ করোনা সংক্রমিত হলে তিনি ২.৬৯ জন মানুষকে সংক্রমিত করতে পারেন। অর্থাৎ প্রতি ১০০ জন করোনা আক্রান্ত হলে তারা আরও ২৬৯ জন মানুষকে সংক্রমিত করতে পারেন।
এই মুহূর্তে সারা ভারতে লাফিয়ে সংক্রমণের হার বাড়লেও হাসপাতালে ভর্তির হাহাকার এখনও সেভাবে পড়েনি। তবে আগামিদিনে পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায় সে দিকে বিশেষজ্ঞরা লক্ষ্য রাখছেন।
আরও একটি বিষয় বিশেষজ্ঞরা অনুধাবন করেছেন। সেটা হল, যে সমস্ত রাজ্যে বা শহরে ওমিক্রন করোনা স্ট্রেনের উপস্থিতি বেশি সেই সকল জায়গায় সংক্রমণ দ্রুত ছড়াচ্ছে। আমাদের দেশে এই সংক্রমণ কীভাবে কমবে তা পরিবেশ-পরিস্থিতি এবং জনসংখ্যার উপর বহুলাংশে নির্ভরশীল। আর সেজন্যই বিশেষজ্ঞরা আরও সতর্ক দৃষ্টিতে বিষয়টিকে অনুধাবন করছেন।












Click it and Unblock the Notifications