স্বল্প উপসর্গ থাকলে কী করবেন করোনা রোগীরা? জেনে নিন কেন্দ্রের নয়া নির্দেশিকা
করোনা সংক্রমণের কোনও উপসর্গ দেখা দিলেই যেতে হবে হাসপাতালে। সেখানেই আইসোলেশনে থাকতে হবে রোগীকে। এতদিন এটাই ছিল আইমিএস-এর নির্দেশিকা। তবে এই নিয়মে এবার বদল আনল লকেন্দ্র। দেশে হুহু করে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে সবাইকে হাসপাতালে রাখা কী সম্ভব? উঠেছে প্রশ্ন।

দেশে সিংবভাগ করোনা আক্রান্তের উপসর্গ ক্ষীণ
যেই হারে দেশে করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা বাড়ছে তাতে আগামী দশ দিনে দেশে প্রায় ৫০ হাজার ব্যক্তি করোনায় আক্রান্ত হয়ে যাবেন বলে মনে করা হচ্ছে। কিন্তু এদের অনেকের ক্ষেত্রেই উপসর্গ খুব ক্ষীণ। সেইরকম কেসে হোম আইসোলেশন করা যেতে পারে, বলে সোমবার জানাল কেন্দ্র।

সেল্ফ আইসোলেশনের কথা বলেছিলেন মমতা
এর আগে এই একই সুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, করোনা রোগীর সংস্পর্শে আসা ব্যক্তিদের হোম আইসোলেশন চলতে পারে। অনেকটা মমতার এই আইডিয়া কাজে লাগিয়েই কেন্দ্রের এই নতুন নীতি বলে মনে করা হচ্ছে।

সেল্ফ আইসোলেশন নিয়ে কী বলছে কেন্দ্র
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফ থেকে যে নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে, তাতে বলা হচ্ছে মাইল্ড সিম্পটম বা প্রি-সিম্পটোম্যাটিক হলে তাদের বাড়িতেই আইসোলেট করে দেওয়া যেতে পারে। যদি তাদের বাড়িতে যথেষ্ট জায়গা থাকে যেখানে অন্যদের সংস্পর্শে আসবে না সেই ব্যক্তি, তাহলেই এরকম হোম কোয়ারেন্টাইন করা যেতে পারে। তবে প্রাথমিক ভাবে তাদের হাসপাতালে যেতে হবে। চিকিৎসক বললেই তবেই সেল্ফ আইসোলেশনে থাকার অনুমতি মিলবে।

যে সব নিয়ম মানতে হবে হোম কায়োরেন্টাইনে
তবে হোম আইসোলেশনে থাকলেও কেন্দর জানায়, রোগীদের নিয়মিত নিজেদের স্বাস্থ্যের হাল জানাতে হবে জেলা সার্ভিলেন্স আধিকারিককে। রোগীকে সেল্ফ-আইসোলেশনের একটি আন্ডারটেকিংও সই করতে হবে এবং অক্ষরে অক্ষরে হোম কোয়ারান্টাইনের সব নিয়ম মেনে চলতে হবে। পাশাপাশি আরোগ্য সেতু অ্যাপটি অন রাখতে হবে সেই রোগীকে। তবে শরীর যদি খারাপ হয় সেই ক্ষেত্রে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে তাকে।












Click it and Unblock the Notifications