Covid 19: শুধু কেরলেই নয়, আরও দুই রাজ্যে মিলল ওমিক্রন সাব-ভ্যারিয়েন্ট JN.1
Covid 19: এই দফায় এখনও পর্যন্ত কেরলেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা সব থেকে বেশি। উল্লেখ করা যেতে পারে কেরলেই দেশের মধ্যে প্রথম করোনা আক্রান্তের খোঁজ মিলেছিল। কেন্দ্রীয় সংস্থার সাম্প্রতিক দেওয়া তথ্যে দেখা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়েন্ট JN.1-এ ২১ টি কেস রেকর্ড করা হয়েছে। সেখানে শুরু কেরলেও নয়, গোয়া ও মহারাষ্ট্রে ওমিক্রনের সাব ভেরিয়েন্ট JN.1-এর খোঁজ পাওয়া গিয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে এদিন জানানো হয়েছে, ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়েন্ট JN.1-এ আক্রান্ত হওয়ার ২১ টি ঘটনা সারা দেশ থেকে রিপোর্ট করা হয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী গোয়া থেকে ১৯ টি কেস রিপোর্ট করা হয়েছে। এছাড়া মহারাষ্ট্র ও কেরল থেকে একটি করে কেস রিপোর্ট করা হয়েছে।

এই মুহূর্তে ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়েন্ট JN.1 দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসগুলির মধ্যে একটি হয়ে উঠেছে।
বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ওমিক্রনের সাব ভেরিয়েন্ট JN.1কে ভ্যারিয়েন্ট অফ ইন্টারেস্ট বলে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্যে ঝুকি তৈরি করলেও, তা খুব কম বলে জানিয়েছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা। ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়েন্ট JN.1কে এর আগে BA.2.86 সাবলিনিয়েজের অংশ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছিল।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলিতে ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়েন্ট JN.1 সংক্রমণের খবর পাওয়া টগিয়েছে একাধিক দেশ থেকে। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা BA.2.86-এর মূল বংশ থেকে JN.1 কে আলাদাভাবে চিহ্নিত করেছে। পাশাপাশি সতর্ক করে বলা হয়েছে, এই ভ্যারিয়েন্ট JN.1 শীত পড়া বিভিন্ন দেশে সার্স কভ-২ কেস বৃদ্ধির কারণ হতে পারে।
ভারতের স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে ভেরিয়েন্ট JN.1 ভারত ছাড়াও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও, চিন, সিঙ্গাপুরে রিপোর্ট করা হয়েছে। চিন থেকে সাতটি ঘটনা রিপোর্ট করা হয়েছে। এই স্ট্রেনটি সিঙ্গাপুর-সহ বিভিন্ন দেশে মামলার সংখ্যা বৃদ্ধির কারণ হয়েছে।
এদিন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মান্ডভিয়া সারা দেশের স্বাস্থ্য সুবিধাগুলি পর্যালোচনা করেছেন। পাশাপাশি তিনি রাজ্যগুলিকে সতর্ক থাকতে এবং নজরদারি বাড়াতে বলেছেন। রাজ্যগুলিকে কেন্দ্র থেকে সবরকমের সাহায্যের আশ্বাস দিয়ে তিনি বলেছেন, আমাদের সতর্ক থাকতে হবে, তবে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই।
এখনও পর্যন্ত ওমিক্রনের সাব ভ্যারিয়েন্ট JN.1-এ উপসর্গগুলি কোভিডের বিভিন্ন রূপের মতোই, তবে এর মধ্যে তীব্রতা বৃদ্ধির কোনও ইঙ্গিত এখনও পাওয়া যায়নি। কোভিডের বর্তমান চিকিৎসা পদ্ধতিই ওমিক্রনের সাব ভেরিয়েন্ট JN.1-এর সংক্রণের বিরুদ্ধে কার্যকর হবে বলে আশা করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। পাশাপাশি আপডেট করা ভ্যাকসিনগুলি ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে সুরক্ষা বাড়াবে বলে আশা করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications