Covid 19 New Variant: বর্তমানে কোভিডের সংক্রমণ বৃদ্ধির কারণ কী? মাস্ক কি পরতেই হবে, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা
Covid 19 New Variant: গত ২৪ ঘন্টায় সারা দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫৮। এর মধ্যে শুধু কেরলেই আক্রান্তের সংখ্যাটা ৩০০। এখন প্রতিদিনই আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে। কয়েকটি রাজ্যে শুরুতেই মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করেছে। যা ২০২০-২১-এর মহামারীর ভয়ঙ্কর স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে।
গত ২৪ ঘন্টায় সারা দেশে কোভিড সম্পর্কিত জটিলতার কারণে ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী সারা দেশে এই মুহূর্তে সক্রিয় করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা ২৬৬৯। এই সংক্রমণের বেশিরভাগটাই হচ্ছে JN.1 কোভিড ভ্যারিয়েন্টের কারণে।

বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তরফে JN.1 কোভিড ভ্যারিয়েন্টকে 'ভ্যারিয়েন্ট অফ ইন্টারেস্ট' বলে বর্ণনা করা হয়েছে। পাশাপাশি তারা ইঙ্গিত করেছে, এই ভ্যারিয়েন্ট খুব বেশি ঝুঁকি তৈরি করছে না। তবে এর পরেও, উত্তর গোলার্ধে শীতের মরসুম শুরু হওয়ার কারণে JN.1 ভ্যারিয়েন্ট শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণ বাড়িয়ে দিতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রাক্তন প্রধান বিজ্ঞানী সৌম্য স্বামীনাথন সতর্ক করে বলেছেন, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে। সংবাদ মাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি বলেছেন, কোভিডকে সাধারণ সর্দি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত হবে না। এটি দীর্ঘ মেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে বলেও সতর্ক করেছেন তিনি। এক্ষেত্রে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও মানসিক সমস্যা তৈরির সম্ভাবনা।
কোচির একটি হাসপাতালে নিউমোনিয়া আক্রান্তদের মধ্যে ৩০ শতাংশ কোভিডে আক্রান্ত। JN.1 সাব ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন থেকে উৎপত্তি হওয়ায়, তা ওমিক্রনের মতোই আচরণ করবে বলেই জানাচ্ছেন কোনও কোনও বিশেষজ্ঞ। তবে বিষয়টিকে কোনওভাবেই হাল্কা করে নেওয়া ঠিক হবে না, বলছেন তাঁরা। এটি আগে সংক্রমিত হওয়াদের সংক্রমিত করতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা।
সাধারণ সর্দি-কাশির সঙ্গে কোভিডের তুলনা প্রসঙ্গে সৌম্য স্বামীনাথন বলেছেন, এটি সাধারণ সর্দি থেকে আলাদা। সংক্রমণ বেশি হলে নিউমোনিয়ার মতো গুরুতর অসুস্থ হওয়াই নয়, শরীরে তা দীর্ঘ মেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। তাই এটিকে হাল্কাভাবে নেওয়া ঠিক হবে না।
সৌম্য স্বামীনাথন বলেছেন, JN.1 ভ্যারিয়েন্টের উপসর্গগুলি হল জ্বর, কাশি, গন্ধ ও স্বাদ হারানো। সতর্কতার লক্ষণ হিসেবে তিনি বলেছেন, বেশি জ্বর, শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি, খেতে অনিচ্ছা এবং বমির প্রবণতাও এর উপসর্গগুলির মধ্যে পড়ে। যাঁরা আগে থেকেই অসুস্থ, তাঁদের মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি পালস অক্সিমিটারও ব্যবহার করতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন ভ্যাকসিন কোভিডকে দূরে রাখলেও ভ্যারিয়েন্টগুলি আলাদা হওয়ায় উদ্বেগ তৈরি করে। যেমন JN.1 সাব ভ্যারিয়েন্ট আগের ভ্যারিয়েন্টগুলির থেকে আলাদা। এই পরিস্থিতিতে মাস্ক পরার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে জনাকীর্ণ স্থান, যেখানে বায়ু চলাচল বন্ধ, চারপাশে লোকজন রয়েছে, সেই রকম জায়গায় মাস্ক পরে থাকাটা নিরাপদ। একটি গাড়িতে অনেক অপরিচিতের সঙ্গে থাকলেও মাস্ক পরতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications