Covid JN.1 Variant: ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত ৪১২ জন! পরিস্থিতি নিয়ে আশ্বস্ত করছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী
Covid JN.1 Variant: সারা দেশেই নতুন করে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রকের ওয়েবসাইট অনুসারে গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত ৪১২ জন। অপর দিকে সুস্থ হয়েছে ২৯৩ জন। ২৪ ঘন্টায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনটি মৃত্যুই হয়েছে কর্নাটকে। বর্তমানে সারা দেশে ৪১৭০ জন সক্রিয় করোনা আক্রান্ত রয়েছেন। এর অধিকাংশই কেরলের।
মঙ্গলবার কেরলে নতুন করে কোনও আক্রান্ত নথিভুক্ত হয়নি। সেখানে ৩২ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন। সেখানে সক্রিয় রোগীর সংখ্যাটা ৩০৯৬-এ নেমে গিয়েছে। মহারাষ্ট্রে সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ১৬৮, তামিলনাড়ুতে এই সংখ্যাটা ১৩৯, কর্নাটকে ৪৩৬। এদিন স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, সারা দেশে গত ২৪ ঘন্টায় কোভিডের JN.1 ভ্যারিয়েন্টের ১১৬ টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

আক্রান্ত রোগীদের বেশিরভাগই হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। হাসপাতালে ভর্তির হারে কোনও বৃদ্ধি নেই। প্রসঙ্গত নীতি আয়োগের সদস্য ডক্টর ভিকে পল গত সপ্তাহে বলেছিলেন, নতুন ভ্যারিয়েন্টের ওপরে নজর রাখা হচ্ছে। রাজ্যগুলিকে পরীক্ষা বাড়াতে ও নজরদারি ব্যবস্থা জোরদার করতে বলা হয়েছে। সংক্রামিতদের ৯২ শতাংশ বাড়িতেই চিকিৎসা করানোয় এটা হাল্কা অসুস্থতার ইঙ্গিত করে বলে জানিয়েছিলেন তিনি।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে দিল্লির সরকার কোভিডের নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ে পাঠিয়েছে। দিল্লির সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাজ কুমার আনন্দ ২০২১-এ কোভিডে মৃত অনিল কুমার গর্গের পরিবারের হাতে এক কোটি টাকা চেক তুলে দিয়েছেন। অনিল কুমার গর্গ দিল্লি ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের কর্মী ছিলেন।
এদিন সকাল আটটায় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের ওয়েবসাইটে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গত ২৪ ঘন্টায় কর্নাটকে তিনটি নতুন মৃত্যুর ঘটনা রেকর্ড করা হয়েছে। এর সঙ্গে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫,৩৩,৩৩৭। কেন্দ্রীয় পর্যটন মন্ত্রী শ্রীপদ নায়েক বলেছেন, নাগরিক ও পর্যটন শিল্পের কোভিডের সর্বশেষ ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার দরকার নেই। কারণ অতীতে ভারত এই রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে।
বর্তমানে করোনা ছড়িয়ে পড়ার ঘটনায়, দেশে কি আরেকটি লকডাউন হবে, এই প্রশ্নের উত্তরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেছেন, আতঙ্কিত হওয়ার দরকার নেই। অতীতে আমরা এর সঙ্গে লড়াই করেছিল। আবার হলে তার সঙ্গেও লড়াই করতে পারি। তিনি বলেছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির কারণে মহামারীর পরে ভারতীয় অর্থনীতি ফের জায়গায় চলে এসেছে।
তিনি বলেছেন পর্যটনে কেন্দ্রীয় নীতি প্রচলিত এলাকার বাইরে যেতে সাহায্য করেছে। স্থানীয়দের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন উপায় তৈরি করেছে। হোম স্টে সংক্রান্ত কেন্দ্রের নীতি কর্মসংস্থান তৈরিতে সাহায্য করেছে এবং পর্যটনকে প্রচলিত জায়গা থেকে দূরে সরিয়ে নিয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications