Covid 19: শীতের শুরুতেই ভয় দেখাতে শুরু করেছে করোনা! ২৪ ঘন্টায় দেড়শোর ওপরে নতুন আক্রান্ত
Covid 19: শীত শুরুর সঙ্গে সঙ্গে প্রভাব দেখাতে শুরু করেছে করোনা। গত ২৪ ঘন্টায় সারা দেশে ১৬৬ জনের আক্রান্ত হওয়ার রেকর্ড করা হয়েছে। এরফলে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮৯৫। রবিবার সকাল আটটা পর্যন্ত এটাই স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান। এর মধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা কেরলে সব থেকে বেশি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শীতে ইনফ্লুয়েঞ্জার প্রকোপ বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে মানুষের মধ্যে কাশি, সর্দি ও নিউমোনিয়ার মতো রোগ বাড়তে থাকে। এসব এড়াতে সতর্কতামূলক পদক্ষেপই একমাত্র হাতিয়ার বলেই মনে করছেন তাঁরা।

সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, দৈনিক ভিত্তিতে গড় মামলার সংখ্যা ১০০। যা তুলনামূলকভাবে পরিস্থিতি স্থিতিশীল বলেই প্রকাশ করে। উল্লেখ্য যে মহামারী শুরু হওয়ার পর থেকে একদিনে সর্বনিম্ন সংখ্যক নতুন আক্রান্ত এই বছরের জুলাইয়ে রেকর্ড করা হয়েছিল ২৪।
স্বাস্থ্যমন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৪.৪৪ কোটিতে পৌঁছেছে। মৃতের সংখ্যা রেকর্ড করা হয়েছে ৫,৩৩, ৩০৬। মৃত্যুর হার ১.১৯। আক্রান্ত থেকে সুস্থ হওয়ার জাতীয় হার ৯৮.৮১ শতাংশ। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী দেশে এখনও পর্যন্ত ২২০.৬৭ কোটি ডোজ ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রক দেশে করোনার সাম্প্রতিক বৃদ্ধিতে সতর্ক। এর ওপরে নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে। সংক্রমণের সম্ভাব্য বৃদ্ধি রোধে, সুরক্ষা প্রোটোকলের পাশাপাশি টিকাদানের শক্তিশালী প্রচার অভিযান গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে নিউইয়র্কে স্বাস্থ্য নিয়ে হওয়া সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের প্রাক্তন বিশেষ সহকারী রাজ পাঞ্জাবি বলেছেন, উহানের পরীক্ষাগার থেকেই মহামারীর উদ্ভব হয়েছিল। তিনি বিশ্বব্যাপী সরকারগুলিতে ল্যাবগুলির নিরাপত্তা আরও বাড়াতে পরামর্শ দিয়েছেন। তবে হোয়াইট হাউজের সরকারি অবস্থান হল কোভিড ১৯-এর উৎস এখনও অনিশ্চিত।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেনের প্রাক্তন বিশেষ সহকারী রাজ পাঞ্জাবি সতর্ক করে বলেছেন, ২০৫০ সালের মধ্যে আরও একটি মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা ৫০/৫০। বিশ্বায়নের মতো কারণগুলির জন্য ক্রমবর্ধমান ঝুঁকিকেই দায়ী করেছেন তিনি।
অন্যদিকে, গ্রীষ্মে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার সংখ্যা কমে যাওয়ার পরে গত এক মাসে আক্রান্তের সংখ্যা তুলনামূলক বেড়েছে। কোভিড ১৯-এ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়াদের মধ্যে প্রবীণ নাগরিক, মধ্যবয়সী প্রাপ্ত বয়স্ক এবং চার বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে বেশি বলেই জানা গিয়েছে।
সেখানকার বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওমিক্রনের ভ্যারিয়েন্ট ও সাবভ্যারিয়েন্টগুলি অত্যন্ত সংক্রামক। তবে এর থেকে অনেকক্ষেত্রেই মৃদু অসুস্থতা দেখা দেয়। তবে এর জন্য হাসপাতালে ভর্তির প্রয়োজন হয় না।












Click it and Unblock the Notifications