Covid 19: আবার বাড়ছে করোনার সংক্রমণ! শুধু এই রাজ্যেই Active Case ৭৫০-এর বেশি
Covid 19: বেশ কয়েকমাস করোনা সংক্রমণ নিয়ে কোনও খবর ছিল না। কিন্তু শীত পড়তেই মাথা চাড়া দিতে শুরু করেছে করোনা। একটি রাজ্যেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে। গত একমাসে দৈনিক সংক্রমণ ১২ থেকে এখন ১৫০-এ। এই সময়কালে অ্যাকটিভ কেস ৩৩ থেকে বেড়ে হয়েছে ৭৬৮।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুসারে কেরলে মোট অ্যাকটিভ কেস এই মুহূর্তে ৭৬৮। আর সারা দেশে তা ৯৩৮। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কেরলে নজরদারি ও পরীক্ষার কারণেই করোনা ধরা পড়ছে। দেশের অন্যরাজ্য যা নেই।

অন্যদিকে চিকিৎসকরা বলছেন. এই মুহূর্ত কোভিডের প্রভাব খুব বেশি অনুভূত হচ্ছে না। কারণ হাসপাতালে শয্যা সংখ্যায় এর কোনও প্রভাব এখনও পড়েনি। এছাড়াও কোভিডে মৃত্যুর রিপোর্ট করা হচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রিপোর্ট করা হয়নি এমন ঘটনাও থাকতে পারে।
চিকিৎসকরা আরও জানিয়েছেন, বেশি জ্বর, কাশি, শ্বাসকষ্ট নিয়ে হাসপাতালের ওপিডি ক্লিনিকগুলিতে রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ২০২০ সাল থেকে কোভিড নিয়ে নজরদারির দায়িত্বে থাকা রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, নভেম্বরের মাঝামাঝি থেকে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গিয়েছে। রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতরের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সোমবার সারা রাজ্যে ১১,৭০০ জনের বেশি লোক জ্বর নিয়ে হাসপাতালে গিয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ১৭০ জনকে ভর্তি করানো হয়েছে।
এখনও পর্যন্ত কেরলে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা যেমন বেশি তেমনই সেখানে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যাও বেশি। সাম্প্রতিক সময়ে গত ৭ ডিসেম্বর দৈনিক সব থেকে বেশি ১৫৭ জনের আক্রান্ত হওয়া রিপোর্ট করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য বিভাগের ওই আধিকারিক।
চিকিৎসকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জ্বর-সর্দি-কাশির উপসর্গের পর শ্বাসকষ্ট ও দীর্ঘস্থায়ী কাশি অনেক ক্ষেত্রেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। কোভিড বিধি প্রত্যাহার এবং শীতের বিভিন্ন রোগ ছড়িয়ে পড়ার কারণে এই অবস্থা তৈরি হয়েছে। কোভিড ছাড়াও অ্যাডিনোভাইরাস, শ্বাসযন্ত্রের সিনসিশিয়াল ভাইরাস এবং মাইক্রোপ্লাজমা নিউমোনিয়ার সংক্রমণ থেকে এন পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলে জানিয়েছে চিকিৎসকার।
ওপিডিতে রিপোর্ট করা এক শতাংশ লোকের মধ্যে যেমন কোভিডের সংক্রমণ পাওয়া যাচ্ছে, ঠিক অন্যদিকে একজন রোগীর মধ্যে একাধিক ভাইরাসের সংক্রমণও দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। একইসঙ্গে তাঁরা এও বলছেন, আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তবে বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তিদের বিভিন্ন ভাইরাল সংক্রমণ এড়াতে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।












Click it and Unblock the Notifications