রবিবার থেকেই দেশের সমস্ত প্রাপ্ত-বয়স্কদেরই বুস্টার ডোজ! বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রকের
এই মুহূর্তে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে করোনা'র সংক্রমণ। কিন্তু নতুন করে আতঙ্ক বাড়াচ্ছে করোনার নয়া ভ্যারিয়েণ্ট এক্স-ই। ব্রিটেন সহ একাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে নয়া এই সংক্রমণ। এই অবস্থায় বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের।
এই মুহূর্তে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে করোনা'র সংক্রমণ। কিন্তু নতুন করে আতঙ্ক বাড়াচ্ছে করোনার নয়া ভ্যারিয়েণ্ট এক্স-ই। ব্রিটেন সহ একাধিক দেশে ছড়িয়ে পড়েছে নয়া এই সংক্রমণ। এই অবস্থায় বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের। প্রায় দুবছরেরও বেশি সময় ধরে করোনা'র বিরুদ্ধে লড়াই করছে দেশ।

প্রথম, দ্বিতীয় এবং থার্ড ওয়েভের সাক্ষী থেকেছে দেশের মানুষ। যদিও করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভ্যাকসিন দেওয়ার কাজও যুদ্ধকালীন তৎপরতায় চালানো হয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে।
তবে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আরও একধাপ এগোল স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এবার দেশের সমস্ত প্রাপ্তবয়স্কদেরই দেওয়া হবে করোনার বুস্টার ডোজ। এতদিন ৬০-এর বেশি বয়সের মানুষদের বুস্টার ডোজ দেওয়া হচ্ছিল। কিংবা শারীরিক অন্য কোনও সমস্যা রয়েছে এমন মানুষদেরই বুস্টার ডোজ দেওয়ার কাজ চলছিল। কিন্তু আজ শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে বড়সড় ঘোষণা করা হয়।
ঘোষণা অনুযায়ী ১৮ বছর হলেই প্রত্যেকেই করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে বুস্টার ডোজ নিতে পারবেন। আগামী রবিবার অর্থাৎ ১০ এপ্রিল থেকেই প্রাপ্তবয়স্কদের দেওয়া হবে এই বুস্টার ডোজ।
তবে জানা গিয়েছে, এই বুস্টার ডোজ বেসরকারি সংস্থা থেকে দেওয়া হবে বলে জানা যাচ্ছে। প্রথম এবং করোনার দ্বিতীয় ডোজ সরকারি ভাবে একেবারে বিনামূল্যে বিভিন্ন সরকারি হাসপাতাল থেকে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার বেসরকারি সংস্থা থেকেই এই বুস্টার ডোজ নিতে হবে বলে জানা যাচ্ছে। যদিও স্বাস্থ্যকর্মী, প্রথম সারির কোভিডযোদ্ধা এবং ষাটোর্ধ্বদের দেওয়া হবে বুস্টার টিকা বিনামূল্যে। এমনটাই জানা যাচ্ছে।
Precaution doses to be now available to 18+ population group from 10th April at private vaccination centres: Ministry of Health
— ANI (@ANI) April 8, 2022
তবে এই বুস্টার ডোজ নেওয়ার শর্ত বেঁধে দেওয়া হয়েছে মন্ত্রকের তরফে। জানা যাচ্ছে, সেকেন্ড ডোজ নেওয়ার ৯ মাসের মাথায় এই বুস্টার ডোজ নিতে হবে প্রাপ্ত-বয়স্ককে। এমনটাই জানানো হয়েছে। তবে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন চিকিৎসকদের একাংশ।
তাঁরা বলছেন, গোটা দেশে করোনা সংক্রমণ এখন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আর এখানেই বিপদ লুকিয়ে বলছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁদের মতে, সংক্রমণ কম থাকায় মাস্ক কিংবা সোশ্যাল ডিসটেন্স মানছে না। এই অবস্থায় নতুন করে বিপদ ছড়াতে পারে। আর সেই সংক্রমণ যাতে না ছড়াতে পারে সেখানে দাঁড়িয়ে এই সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।
উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে গোটা বিশ্বে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্টকে ঘিরে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, নয়া এই ভ্যারিয়েন্ট এক্স-ই ওমিক্রনের থেকে অনেক বেশি সংক্রমণ বলা হচ্ছে। যদিও ভ্যাকসিনেশনের সমস্ত ডোজ নেওয়ার পরেও এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কিনা তা নিয়ে একটা ধোঁয়াশা রয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications