আশায় দেশবাসী, ভারত বায়োটেকের কোভ্যাকসিন আগামী ফেব্রুয়ারিতে আসতে পারে, দাবি আইসিএমআরের
আশায় দেশবাসী, ভারত বায়োটেকের কোভ্যাকসিন আগামী ফেব্রুয়ারিতে আসতে পারে, দাবি আইসিএমআরের
ভারত বায়োটেকের কোভিড–১৯ ভ্যাকসিন আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতেই চালু হবে বলে আশা করা হচ্ছে, আর মাত্র কয়েকটা মাসের অপেক্ষা। চূড়ান্ত পর্যায়ের ভ্যাকসিনের ট্রায়াল এ মাসেই শুরু হবে এবং গবেষণা করে দেখা হবে এই ভ্যাকসিন কতটা সুরক্ষিত ও কার্যকর। সরকারি এক বিজ্ঞানী এই তথ্য জানিয়েছেন। প্রসঙ্গত গোটা বিশ্বজুড়ে করোনা ভ্যাকসিনের দৌড়ে ভারতের নিজস্ব প্রার্থী ভারত বায়োটেকের প্রতিষেধকও রয়েছে।

কোভ্যাকসিন নিরাপদ ও কার্যকারিতা দেখিয়েছে
বেসরকারি সংস্থা ভারত বায়োটেক, যারা কোভ্যাকসিন তৈরি করছে, সরকারি সংস্থা ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল রিসার্চের সঙ্গে। এর আগেই বায়োটেকের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে আগামী বছরই সেকেন্ড কোয়ার্টারেই এই ভ্যাকসিন বাজারে নিয়ে আসা হবে। আইসিএমআরের শীর্ষ বিজ্ঞানী রজনী কান্ত বলেছেন, ‘এই ভ্যাকসিনটি ভালো কার্যকারিতা দেখিয়েছে। আশা করা হচ্ছে আগামী বছরের শুরুতে, ফেব্রুয়ারি বা মার্চেই, এই ভ্যাকসিনটি উপলব্ধ হবে বাজারে।' কোভিড-১৯ টাস্ক ফোর্সের সদস্য রজনী কান্ত বৃহস্পতিবার এই মন্তব্য করেন আইসিএমআরের দিল্লির সদর দপ্তরে।

অপেক্ষা তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের
আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে এই ভ্যাকসিন বাজারে আসলে, তা প্রথম দেশীয়ভাবে প্রস্তুত ভ্যাকসিন হিসাবে পরিচিতি পাবে। আইসিএমআরের রিসার্চ ম্যানেজমেন্ট, নীতি পরিকল্পনা ও সমন্বয় সেলের প্রধান রজনী কান্ত জানিয়েছেন, তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শেষ হওয়ার পর কোভ্যাকসিন শট আদৌও সাধারণকে দেওয়া হবে কিনা তার সিদ্ধান্ত নেবে স্বাস্থ্য মন্ত্রক। রজনী বলেন, ‘প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালে এই ভ্যাকসিনের সুরক্ষা ও কার্যকারিতা দেখা গিয়েছে এবং প্রাণীদের ওপর এটি পরীক্ষার পর দেখা গিয়েছে এটি নিরাপদ তবে তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল না হওয়া পর্যন্ত এ বিষয়ে শতকরা নিশ্চিত হওয়া যাবে না।' তিনি এও বলেন, ‘এখানে কিছু ঝুঁকি রয়েছে, যদি সেই ঝুঁকি আপনি নিতে পারেন, তবে ভ্যাকসিনের ডোজ নিন। যদি দরকার পড়ে, তবে জরুরি পরিস্থিতিতে এই ভ্যাকসিন দেওয়ার চিন্তা ভাবনা করতে পারে সরকার।'

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আশ্বাস
প্রসঙ্গত, স্বাস্থ্য মন্ত্রী হর্ষ বর্ধন সেপ্টেম্বরে জানিয়েছিলেন যে, সরকার কোভ্যাকসিনের জরুরি অনুমোদন দেওয়ার বিষয়ে চিন্তা করছে, বিশেষ করে বয়স্ক ও কর্মস্থানে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণদের কথা ভেবে।

অন্য ভ্যাকসিন প্রার্থী
বেশ কিছু শীর্ষ ভ্যাকসিন ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত পর্যায়ের পরীক্ষার মুখে রয়েছে। ব্রিটেনের অ্যাস্ট্রাজেনেকা ও অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভ্যাকসিন প্রার্থী বহু ভ্যাকসিনের মধ্যে সবচেয়ে অগ্রণী পরিস্থিতি মুখে রয়েছে। এ বছরের শেষের দিকে অর্থাৎ ডিসেম্বর অথবা ২০২১ সালের প্রথমদিকে এটি বাজারে আসতে পারে। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউট সহ বিশ্বের বহু ওষুধ সংস্থা ও উৎপাদনকারী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করেছে অ্যাস্ট্রাজেনেকা। চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এমন বেশ কিছু ভ্যাকসিন হল মর্ডানা ইঙ্ক, পিফিজার ইঙ্ক যার অংশীদার বায়ো এন টেক ও জনসন অ্যান্ড জনসন।












Click it and Unblock the Notifications