দেশ পদ্মের চক্রব্যূহে আটকে! লোকসভায় বিজেপিকে নিশানায় রাহুলের মুখে কৌশলে ফের আম্বানি-আদানি
দেশের যুবক ও কৃষকদের চক্রব্যূহে আবদ্ধ করা হয়েছে, এদিন লোকসভায় এমনটাই অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন একচেটিয়া পুঁজিবাদ ভার দখল করেছে। তিনি বলেছেন, বিজেপির শাসনে সবাই বিরক্ত।
রাহুল গান্ধী বলেন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় প্রশ্ন ফাঁসের কথা উল্লেখ করেননি। তিনি বলেছেন, গত ১০ বছরে অন্তত ৭০ বার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন প্রশ্ন ফাঁস সমস্যা তরুণদের প্রাভাবিত করে।

দেশ পদ্মের চক্রব্যূহে আটকে
এদিন ফের একবার রাহুল গান্ধীর মুখে অগ্নিবীরের কথা উঠে এসেছে। তিনি বলেছেন যুবকরা অগ্নিবীর চক্্রবূহে আটকা পড়েছেন। অগ্নিবীরদের জন্য পেনশনের কোনও ব্যবস্থা নেই। তিনি বলেছেন, দেশে ভয়ের পরিবেশ, সেই ভয় আমাদের দেশের প্রতিটি অংশে ছড়িয়ে পড়েছে।
তিনি বলেন, ২১ শতকে নতুন একটি চক্রব্যূহ গঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী তাঁর বুকে এর প্রতীক বহন করছেন। চক্রব্যূহের পিছনে তিনটি শক্তি রয়েছে। প্রথমটি হল একচেটিয়া ভাবনা, দুটি লোককে ভারতে সবকিছুর মালিক হতে দিতে হবে। দ্বিতীয় হল প্রতিষ্ঠান-সিবিআই-ইডি-আয়কর বিভাগ। আর তৃতীয় হল রাজনৈতিক নির্বাহী।
চক্রব্যূহ ভেঙে যাবে
রাহুল গান্ধী বলেছেন, ভারতের মানুষ অভিমন্যু নয়, তাঁরা অর্জুন। এই চক্রব্যূহ ভেঙে যাবে। তিনি বলেছেন ইন্ডিয়া ব্লক ইতিমধ্যেই ভোটের ফল নিয়ে একটি পদক্ষেপ নিয়েছে।
বিজেপিকে আক্রমণ করতে গিয়ে রাহুল গান্ধী বলেছেন, তরা প্রকৃত হিন্দু নয়। কারণ তারা চক্রব্যূহ তৈরি করে দেশকে ফাঁদে ফেলেছে।
বিজেপিকে কটাক্ষ
বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী বলেন, সমস্যা হল বিজেপিতে শুধুমাত্র একজনকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখার অনুমতি দেওয়া হয়। তিনি বলেন, দেশে মন্ত্রীরা আতঙ্কিত, কৃষকরা আতঙ্কিত, শ্রমিকরা আতঙ্কিত।
কৌশলে আদানি-আম্বানির নাম উল্লেখ
রাহুল গান্ধী লোকসভায় শিল্পপতিদের সম্পর্কে কথা বলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, স্পিকার তাঁকা তাঁদের নাম নিতে না বললে এব্যাপারে ব্যবস্থা করা উচিত। এদিন রাহুল রাহুল গান্ধী সরাসরি আম্বানি-আদানির নাম না উল্লেখ না করে কৌশলে এ-ওয়ান ও এ-টু হিসেবে উল্লেখ করেন। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজুকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, তাঁদেরকে রক্ষা করতে পারেন, এটা গণতান্ত্রিক অধিকার।
কর সন্ত্রাসের সুরাহা করা হয়নি
রাহুল গান্ধী এদিন অভিযোগ করেন, ছোট ব্যবসাগুলিকে কঠোরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা কর সন্ত্রাসের ইস্যুর সুরাহা করা হয়নি এবারের বাজেটে। তিনি বলেন, এবারের বাজেটের একমাত্র লক্ষ্য ছিল বড় ব্যবসা, একচেটিয়া ব্যবসা, রাজনৈতিক একচেটিয়া কাঠামোকে শক্তিশালী করা যা গণতান্ত্রিক কাঠামোকে ধ্বংস করে।












Click it and Unblock the Notifications