কর্পোরেট পাওয়ার কেলেঙ্কারি, পাঁচ রাজ্যে ৫০০ কোটির সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করল ইডি
পাঁচ রাজ্যে তল্লাশি ও তদন্ত অভিযান। পাঁচ রাজ্যে অভিযান চালিয়ে ৫০০ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট ( ইডি)। মহারাষ্ট্র, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, অন্ধ্রপ্রদেশের থেকে এই বাজেয়াপ্তের ঘটনা ঘটেছে।
এই পাঁচ রাজ্যে ব্যাঙ্ক জালিয়াতি, মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে টাকার অঙ্কের পরিমাণ চার হাজার কোটি। কর্পোরেট পাওয়ার লিমিটেড, প্রমোটার, সংস্থার ডিরেক্টর মনোজ জয়সওয়াল, অভিজিৎ জয়সওয়াল ও অভিষেক জয়সওয়ালের বিরুদ্ধে অভিযোগ।

আগস্ট মাসে ইডি অভিযুক্তদের বাড়ি, অফিসে তল্লাশি চালায়। প্রমোটারদের ২২৩ কোটি টাকার শেয়ার এবং মিউচুয়াল ফান্ড বাজেয়াপ্ত করে। এছাড়াও ৫৬ লক্ষ টাকার হিসাববিহীন নগদ পাওয়া যায়। ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া, অভিযুক্তদের কাছ থেকে ১১ হাজার কোটি টাকার বকেয়া দাবি করেছে। অভিযোগ, তাদের নেওয়া ধার শেল সংস্থার মাধ্যমে লন্ডার করা হয়েছিল।
সর্বশেষ সংযুক্তির মধ্যে রয়েছে ব্যাঙ্ক আমানত, মিউচুয়াল ফান্ড, শেয়ার, বিভিন্ন জমির সম্পত্তি। এছাড়াও আছে শেল কোম্পানির নামে অধিগ্রহণ করা বাড়ি। কর্পোরেট পাওয়ার লিমিটেড এবং মনোজ জয়সওয়াল এবং অন্যান্যদের পরিবারের সদস্যদের বাড়ি৷ এমনই তথ্য ইডি জানিয়েছে।
কর্পোরেট পাওয়ার লিমিটেড এবং প্রমোটারের বিরুদ্ধে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র, প্রতারণা এবং জালিয়াতির অভিযোগ এনেছিল সিবিআই। সিবিআই নথির মাধ্যমে এফআইআরের ভিত্তিতে এজেন্সি মানি লন্ডারিং তদন্ত শুরু করে।
ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া অভিযোগ করে, অভিযুক্তরা ঋণ পাওয়ার জন্য প্রকল্পের ব্যয়ের বিবৃতি জমা দিয়েছিল। ৪,০৩৭ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। ব্যাঙ্ক সুদ সহ বকেয়া ১১,৩৭৯ কোটি টাকা দাবি করেছে। সংস্থাটি আরও দাবি করেছে, অভিযুক্তরা এই উদ্দেশ্যে কমপক্ষে ২৫০ টি শেল কোম্পানি এবং ২০ টিরও বেশি দাতব্য সংস্থা ব্যবহার করেছে। অপরাধের অর্থ পাচার করা হয়েছে।
শেল কোম্পানির অ্যাকাউন্টের বইগুলির কাগজপত্র জাল বলেও জানা গিয়েছে। ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ পেতে যাতে সুবিধা হয়। সেই হিসেবে এই কাগজপত্র তৈরি করা হয়েছিল।












Click it and Unblock the Notifications