করোনা রোধকারী ঔষধের ব্যবসা দেশে কোনপথে এগিয়ে যাচ্ছে! একনজরে গ্রাফ
জাপানের ফেবিপিরাভির ও বহু সময় ধরে ভারতে কোভিড চিকিৎসায় ব্যবহৃত রেমডেসিভির নিয়ে বহু আলোচনা করোনারোধে উঠে এসেছে। গত ১৫ মাসে ভারতে করোনা রোধে যে সমস্ত চিকিৎসা বন্দোবস্তের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তাতে করোনা বিরোধী একাধিক ওষুধ বারবার উঠে এসেছে। এর আগে গত কয়েক মাসে ভারত দেখেছে করোনার দ্বিতীয় স্রোত। সামনেই করোনার তৃতীয় স্রোত আছড়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা আগামী তৃতীয় স্রোত যদি আছড়ে পরে তাহলে তার জেরে বাড়তে পারে বলে মনে করছে বহু গবেষণা। এদিকে তারই মাঝে করোনার ওষুধের ব্যবসায় কার্যত ব্যাপক ব্যবসায়িক অঙ্ক সামনে আসতে শুরু করেছে।

ভারতে মোট ২৫ কোটি করোনা রোধী পিল , ৫০ লা ভায়াল এরই মধ্যে শেষ হয়েছে। ব্যাবসায়িক অঙ্ক প্রায় ২৮ ০০ কোটি। শেষ ১৫ মাসে করোনা রোধের ফেভিপিরাভির ও রেমডেসিভির যেভাবে মানুষ কিনেছেন তাতে তার অঙ্ক ২০০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছে। বিশ্ব জুড়ে রেমডিসিভির নিয়ে বহু ট্রায়াল চলেছে। আর তাতেই দেখা গিয়েছে যে এর চর্চা প্রবল পরিমাণে হয়েছে ভারতে। ২০২০ সালের দু মাসে এি দুটি করোনা রোধী ওষুধ ভারতের বাজারে এসেছে । তারপর এর বিক্রি ৭০০ শতাংশ বেড়েছে। গবেষণা ধর্মী সংস্থা আই কিউ ভিআইএর তরফে যে তথ্য সরবরাহ করা হয়েছে,, তাতে দেখা গিয়েছে, ভারত ৫২ লাখ রেমডেসিভির ভায়াল বিক্রি করেছে। এদিকে, ১.৫ কোটি ফেভিপিরিন স্ট্রিপ ভারত বিক্রি করেছে গত কয়েক মাসে। ২৫.৫ কোটির টেবিলে পৌঁছে গিয়েছে ফেবিফ্লু। দেখা গিয়েছে, ওষুধ ব্যবসার ক্ষেত্রে অ্য়ান্টি ভাইরাল ক্যাটেগোরি সবচেয়ে বেশি ব্যবসা করেছে। এই ধরনের ওষুধের ইংজেকশন, ফেভিপিরিন, ট্যাবলেট করোনা পরিস্থিতিতে যেভাবে বিক্রি হয়েছে, তা অ্যান্টিভাইরাল ড্রাগ ক্যাটেগোরিতে ব্যবসায় প্রবল পরিমাণে উত্থান হয়েছে।
২০২০ সালের অগাস্ট মাসে এই ক্যাটেগোরিতে যে লাভের অঙ্ক দেখা গিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, ১,০৮২ কোটি টাকার ব্যাপক লাভ করেছে সংস্থাগুলো। এদিকে সেই ব্যবসায়িক অঙ্কের লাভের অংশ ২০২১ সালে আরও বেড়ে গিয়েছে। ২০২১ সালে সেই লাভের অংশ ৩,৬০১ কোটি টাকা হয়েছে। এদিকে, একই সময়ের মধ্যে দেখা যাচ্ছে রেমডেসিভিরের বিক্রিও হু হু করে বেড়ে গিয়েছে। যা আগের থেকে ২৩ শতাংশ বেড়েছে। রেমডেসিভিরের ব্যবসা বর্তমানে ৬১ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১,৪১৩ কোটি টাকায় পৌঁছে গিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রেমডেসিভিরের ব্যবসা আরও রমরমিয়ে চলতে পারত, আরও সাফল্যের অঙ্ককে সঙ্গে নিয়ে। তবে, রেমডেসিভিরের ব্যবসায় যেহেতেু কালো বাজারি শুরু হয়ে গিয়েছিল, তাই সেভাবে এই ব্যবসা ফুলে ফেঁপে উঠে আসতে পারেনি।
উল্লেখ্য, দেখা গিয়েছে, ২০২০ সালের জুন মাসে যখন কোভিড কেস ১৫ হাজারের ঘরে ছিল তখন ১০০০ ভায়াল বিক্রি হয়েছে। সেপ্টেম্বরে ৩.৪১ লাখ ভায়াল বিক্রি হয়েছে। সেই মাসেই ভারতে প্রথমবার করোনা কেসের প্রথম শীর্ষ দখলের খবর আসে। এরপর করোনার দ্বিতীয় স্রোতে ৯.৬৫ লাখ ভায়াল বিক্রি হতেই লাভের অঙ্কে রেমডেসিভির ছুঁয়ে ফেলে ২৮৭ কোটি টাকার অঙ্ক। একই ভাবে ফেভিপিরাভিরের বিক্রি ৪৬ হাজার থেকে ৫৪ লাখ স্ট্রিপে পৌঁছে যায় ২০২০ সালের জুন থেকে ২০২১ সালের এপ্রিলের মধ্যে।












Click it and Unblock the Notifications