২৬২ দিনে সর্বনিম্ন দেশের অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত কতজন জেনে নিন
২৬২ দিনে সর্বনিম্ন দেশের অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত কতজন জেনে নিন
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ১১,৪৫১ জন। ২৬২ দিনে সর্বনিম্ন করোনা ভাইরাসে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে মারা গিয়েছেন ২৬৬ জন। দেশে সুস্থতার হার ৯৮.২৪ শতাংশ। অনেকটাই কমেছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা।

ফের ১০ হাজারের উপরে উঠল দেশের করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। কয়েকদিন আগেই ১০ হাজারে নেমে গিয়েছিল দৈনিক সংক্রমণ। যদিও সক্রিয় রোগীর সংখ্যা অনেকটাই কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় রোগীর সংখ্যা কমেছে অনেকটাই। ২৬২ দিনে সর্বনিম্ন করোনা আক্রান্ত সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কাটিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৩,২০৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে মারা গিয়েছেন ২৬৬ জন রোগী। করোনা আক্রান্তে মৃত্যুর সংখ্যা কমানোই এখন বড় চ্যালেঞ্জ মোদী সরকারের। বাড়ছে দেশে সুস্থতার হারও।
কেরলে ২ দিন আগেই সার্বিক করোনা আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ৫০ লক্ষ পার করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় কেরলে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৭১২৪ জন। মারা গিয়েছেন ২০১ জন। দেশের মোট করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যার সিংহভাগটাই হয়েছে কেরলে। কাজেই এই নিয়ে উদ্বেগে রয়েছে কেরল সরকার। যদিও করোনা সংক্রমণ কাটিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭,৪৮৮ জন। এখনও পর্যন্ত কেরলের এর্নাকুলাম, তিরুঅনন্তপূরম এবং ত্রিশূর জেলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়ছে।
মহারাষ্ট্রের পরিস্থিতি এখন অনেকটাই উন্নত। মহারাষ্ট্রে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১০০০-র নীচে নেমে এসেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে মারা গিয়েছেন ১৬ জন। শুধুমাত্র মুম্বই শহরে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৫২ জন। পজিটিভ রোগীর সংখ্যাও অনেকটা কমেছে মহারাষ্ট্রে। করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা অনেকটাই কমেছে গোটা দেশে। করোনা টিকাকরণ শেষ করা নিয়ে তৎপর কেন্দ্র। একমাত্র আন্দামান নিকোবর কেন্দ্রেই করোনা ভাইরাসের টিকাকরণ সম্পূর্ণ হয়েছে। কয়েকদিন আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিভিন্ন রাজ্যের স্বাস্থ্যদফতরের সঙ্গে করোনা টিকাকরণ নিয়ে কথা বলেছেন। সেখানে যত দ্রুত সম্ভব করোনা টিকাকরণ শেষ করার চেষ্টা করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। ইতিমধ্যেই দেশিয় প্রযুক্তিতে তৈরি করোনা ভাইরাসের টিকা কোভ্যাক্সিনের অনুমোদন দিয়েছে হু। দীপাবলির পরেও দেশের করোনা ভাইরাসের দৈনিক গ্রাফ তেমন ভয় তৈরি করেনি। এতেই আসার আলো দেখছে কেন্দ্র। কারণ নভেম্বর মাসের মধ্যে করোনার থার্ড ওয়েভ নিয়ে সতর্কতা জারি করেছিলেন গবেষকরা।












Click it and Unblock the Notifications