৫০ হাজারের কাছাকাছি দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ, মৃত্যুর সংখ্যা ১০০০-র উপরে
৫০ হাজারের কাছাকাছি দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ, মৃত্যুর সংখ্যা ১০০০-র উপরে
দেশে দৈনিক করোনা সংক্রমণের সংখ্যা নেমে এসেছে ৫০ হাজারের কাছাকাছি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৬৭,৫৯৭ জন। ধীরে ধীরে করোনা গ্রাফ নিম্ন মুখী হতে শুরু করেছে। কিন্তু দেশে করোনা সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১০০০ উপরে। গতকাল ১০০০ নীচে ছিল দৈনিক করোনা সংক্রমণে মৃতের সংখ্যা।

দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ ৫০ হাজারের কাছাকাছি চলে এসেছে। অনেকটাই স্বস্তিজনক দেশের করোনা গ্রাফ। মহারাষ্ট্রেও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কমতে শুরু করেছে। কিন্তু দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণে মৃত্যুর সংখ্যায় রাশ টানা যাচ্ছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ মারা িগয়েছেন ১১৮৮ জন। দেশের অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা অনেকটাই কমে এসেছে। দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কাটিয়ে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১,৮০, ৪৫৬ জন। করোনা ভাইরাসের তৃতীয় ওয়েভ ক্রমশ নিম্নমুখী হতে শুরু করে দিয়েছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের কারণে গোটা দেশে একাধিক বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছিল। অল্পদিনের মধ্যেই পরিস্থিতির অনেকটা উন্নতি হয়েছে। দেশে এখন অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ১১,০৮, ৯৩৮ করা হয়েছে। করোনা সংক্রমণে মৃত্যুর সংখ্যা এখন হয়েছে ৫,০২,৮৭৪ জন। দেলে পজিটিভিটি রেট এখন ৭.২৫ শতাংশ। দেশে অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা এখন ৯,৯৪,৮৯১ জন।
মহারাষ্ট্রেও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কমতে শুরু করে দিয়েছে। মহারাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩,২৩০ জন। গতকালের চেয়ে অনেকটাই কমেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে মারা গিয়েছেন ২৪ জন। গতকাল সংখ্যাটা ছিল ৬৬। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ কমতে শুরু করেছে একাধিক রাজ্যে। গতকাল করোনা ভাইরাসের আক্রান্তের সংখ্যাটাও ছিল দ্বিগুণ। রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা মুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন ২,০২৩ জন। করোনা ভাইরাসের সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ১.৮৩ শতাংশ। সুস্থতার হার সেখানে বেড়ে হয়েছে ৯৬.৭৬ শতাংশ।
করোনা সংক্রমণের থার্ড ওয়েভ নিম্নমুখী হতে শুরু করে দিয়েছে। ৫ রাজ্যের বিধানসভা ভোটের কারণে করোনা ভাইরাসের বিধিনিষেধ সেই সব রাজ্যে কড়া রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে সেই সব রাজ্যে মিটিং মিছি প্রচার সভায় নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। তারপরে সিদ্ধান্ত জানাবে নির্বাচন কমিশন। েসকারণেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভোটমুখী রাজ্যগুলিতে ভার্চুয়াল প্রচার করছেন। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার কারণেই এই সতর্কতা মূলক ব্যবস্থা নিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু করোনা ভাইরাসের থার্ড ওয়েভ নিম্নমুখী হতে শুরু করায় এখন অনেকটাই স্বস্তিতে রয়েছে কেন্দ্র।












Click it and Unblock the Notifications