দেশে শেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ৩৬,৪০১ জন, ১৪৯ দিন বাদে নামল অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা
দীর্ঘ ১৪৯ দিন বাদে ভারতে নামছে করোনার অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা। যেখানে করোনার জেরে দেশে বর্তমানে ৩,৬৪,১২৯ সংখ্যক অ্যাক্টিভ কেসের খবর আসতে শুরু করেছে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থতার সংখ্যা ৩৯,১৫৭ জন। করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৬,৪০১ জন। এই পরিস্থিতিতে যখন দেশে করোনার তৃতীয় স্রোতের আশঙ্কা প্রবলভাবে দানা বাঁধতে শুরু করেছে, তখন এভাবে অ্যাক্টিভ কেসের কমতি, বা করোনায় আক্রান্তের সংখ্যায় কমতি রীতিমতো তাৎপর্যবাহী। এদিকে, করোনায় দ্বিতীয় স্রোতের আতঙ্ক তাড়া করে বেড়াচ্ছে ভারতকে। সামনেই উৎসবের মরশুম। সেই জায়গা থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে এসেছে সতর্কতা।

গতকালের রিপোর্ট বলছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনার জেরে দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫,১৭৮ জন। বেড়েছে দৈনিক সুস্থতার সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ৪৪০ জন। সামান্য হলেও কমেছে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা। এরই মাঝে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের দাপটে রীতিমতো ভয় , আতঙ্কের পরিবেশ গোটা দেশ। সামনেই রয়েছে দক্ষিণ ভারতে ওনম উৎসব। সেখানে ফর একবার জমায়েতে র আশঙ্কার মাঝেই প্রশাসন কোনপথে হাঁটতে থাকে, সেদিকে নজর রয়েছে সকলের। এদিকে, আফগানিস্তানের করুণ পরিস্থিতির মাঝে সেদেশ থেকে ভারতে পা রাখা যাত্রীদের করোনা বিধি নিয়েও প্রশাসন কতটা কঠোর মনোভাব নিচ্ছে, সেদিকে তাকিয়ে দেশ। এদিকে এমন পরিস্থিতিতে দীর্ঘ ১৪৯ দিন পর দেশে করোনার অ্যাক্টিভ কেস কমেছে । কমে তা দাঁড়িয়েছে ৩,৬৪,১২৯ দিন।এদিকে, মহারাষ্ট্র থেকে আসছে সুখবর। সেখানে ছয়টি জেলায় ১০ জনের মধ্যে অ্যাক্টিভ কেস দেখা গিয়েছে। যা নিঃসন্দেহে ভালো ঘটনা।
এদিকে, এরই মাঝে মহারাষ্ট্রের মতো জায়গায় গত কয়েকদিনে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রচুর ঘটনা ঘটেছে। মহারাষ্ট্রের যে সমস্ত জায়গায় অ্যাক্টিভ কেসের প্রসার দেখা যাচ্ছে , তা বল ওয়াশিম, ইয়াভতমাল, ভান্ডারা, ধুলে , ওয়ারধা, গোন্ডিয়া। এদিকে, পুনে ও আহমেদনগরের মতো জায়গায় শুধু আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে কেরলে গোটা দেশের অর্ধেক আক্রান্তের সংখ্যা নিয়েছে। এদিকে, গোটা দেশে গত কয়েক মাসের হিসাব যদি দেখা যায় , তাহলে দেখা যাবে কিছুদিন আগেই করোনার আক্রান্তের সংখ্যা ২৫ হাজারের ঘরে নেমে আসে ১৭ অগাস্টের রিপোর্টে। তার আগে মে মাসে এই সংখ্যাটাই ছিল একদিনে ৪ লাখের ঘরে। সেই জায়গা থেকে ৫ মাসে সর্বনিম্ন করোনা আক্রান্তের খবর আসে অগাস্টে। তবে তারপরই দেখা যাচ্ছে গত ২ দিনে ভারতে হু হু করে বেড়েছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।
এদিকে, মহারাষ্ট্র থেকে আসছে স্বস্তির খবরও। সেখানে ছয়টি জেলায় ১০ জনের মধ্যে অ্যাক্টিভ কেস দেখা গিয়েছে। যা নিঃসন্দেহে ভালো ঘটনা। এদিকে, এরই মাঝে মহারাষ্ট্রের মতো জায়গায় গত কয়েকদিনে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের প্রচুর ঘটনা ঘটেছে। কোভিশিল্ডের ভুয়ো ভ্যাক্সিন নিয়ে সতর্ক করল হু। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের পক্ষ থেকে এই নিয়ে সতর্ক করা হয়েছিল। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী ভুয়ো কোভিশিল্ড টিকা ব্যবহার করছে। ভারতের একাধিক জায়গায় কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন ভুয়ো ছড়ানোর ঘটনাকে নজরে রেখেই এই সতর্কতা জারি করেছে হু। এদিকে বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় রীতিমতো তোলপাড় শুরু হয়েছে সারা দেশরে নিরিখে। এই নিয়ে পর পর ৫ দিনে ৫০০ ছাড়াল দৈনিক মৃতের সংখ্যা। এদিনের রিপোর্ট বলছে শেষ ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৫৩০ জনের। করোনার জেরে ৪ লক্ষ ৩৩ হাজার ৪৯ জনের প্রাণ গিয়েছে এখনও পর্যন্ত এদেশে। মহারাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা ১৫৮, কেরলে ১৭৯ মৃতের সংখ্যা। শেষ ২৪ ঘণ্টায় কেরলে করোনার জেরে মোট আক্রন্ত ২০ হাজারের উপর। শেষ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ২১ হাজার ৪২৭ জন। মহারাষ্ট্রে শেষ ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৫ হাজার ১৩২ জন। দেশে এই মুহূর্তে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৩ লাখ ৬৪ হাজার ১২৯ জন। এদিকে, করোনা টিকা নিয়ে রীতিমতো উদ্বেগে দেশ। করোনা টিকার সংখ্যা দিনে বাড়লেও, কয়েকদিন আগেই যে করোনার টিকা মিশ্রণের কথা বলেছিল কেন্দ্র, কার্যত তাতে সায় দেয়নি সিরাম ইনস্টিটিউট। এই পরিস্থিতিতে সেপ্টেম্বর থেকেই সম্ভবত দেশে শিশুদের করোনা টিকা দেওয়া শুরু হবে। অন্য়দিকে, বিদেশী নাগরিকদের ভারতে টিকা দেওয়ার কাজ শুরু হয়ে গিয়েচছে। সেই জায়গা থেকে টিকার গতিবিধি নিয়ে রীতিমতো উদ্বেগে দেশ।












Click it and Unblock the Notifications