গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ বেড়ে প্রায় ১.৮ লক্ষ ছুঁই ছুঁই, কমল মৃত্যুর সংখ্যা
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ বেড়ে প্রায় ১.৮ লক্ষ ছুঁই ছুঁই, কমল মৃত্যুর সংখ্যা
একদিনে ফের রেকর্ড সংক্রমণ দেশে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ১ লক্ষ ৭৯ হাজারের বেশি। প্রায় ১.৮ লক্ষ ছুঁই ছুঁই পরিস্থিতি। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা অবশ্য অনেকটাই কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা বাইরাসের সংক্রমণে মারা গিয়েছে ১৪৬ জন।

দ্রুত গতিতে বাড়ছে দেশের করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ হু হু করে বাড়ছে দেশে। গতকাল যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১.৬ লক্ষের কাছাকাছি। সেটা একদিনে বেড়ে হয়ে গিয়েছে ১.৮ লক্ষের কাছাকাছি। হু হু করে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ে রীতি মত উদ্বেগে রয়েছে কেন্দ্র। গতকালই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এই নিয়ে বৈঠক করেছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন, ১,৭৯,৭২৯ জন। মহারাষ্ট্র আর রাজধানী দিল্লিতে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ সর্বাধিক হচ্ছে। কিন্তু তারপরেও এই দুই রাজ্য লকডাউনের পথে হাঁটতে নারাজ। গতকালই মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন লকডাউন করতে চাননা তাঁরা। জিম, সুইমিংপুল, বিউটি পার্লার, বিউটি স্যালোঁ ৫০ শতাংশ লোক নিয়ে কাজ করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। দিল্লি সরকারও কডাউনের পথে হাঁটতে নারাজ। তবে দিল্লি এবং মহারাষ্ট্র সরকার স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দিয়েছে।
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ গতকালের তুলনায় অনেকটাই কম মৃত্যু হয়েছে। গতকাল যেখানে ৩০০-র বেশি করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে মারা গিয়েছিলেন। সেটা অনেকটাই কমেছে। করোনা সংক্রমণের থার্ড ওয়েভে মৃত্যুর সংখ্যা অনেকটাই কমে গিয়েছে। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণের মত মৃত্যু হচ্ছে না। ডেল্টা সংক্রমণের ভয়ানক মৃত্যু হয়েছিল দেশে। সেই সঙ্গে বেড়েছিল হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা এবার বাড়িতে থেকেই করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের িচকিৎসা হচ্ছে। ১৪ দিনের পরিবর্তে ৭ দিন হোম আইসোলেশনে থাকার নির্দেশিকা জারি করেছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
গতকালই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্রমোদী দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেছেন। তাতে রাজ্যগুলিকে বেশি করে করোনা পরীক্ষা এবং হোম আইসোেলশনের উপর নজর দিতে বলেেছন। কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্যেও কড়া নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। বলা হয়েছে অন্তঃসত্ত্বা ও বিশেষভাবে সক্ষমরা অফিসে আসবেন না। তাঁরা বাড়ি থেকেই কাজ করবেন। কন্টেনমেন্ট এলাকার কর্মীরাও দফতরে আসবেন না। বাড়ি থেকেই কাজ করবে বলে নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে। যতটা সম্ভব ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মিটিং করতে বলা হয়েছে। খুব প্রয়োজন না থাকলে কেউ যেন মুখোমুখি বসে বৈঠক না করেন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অফিসের সময়ের বেশি যেন না থাকেন সেদিকেও কড়া নজর রাখতে বলা হয়েছে। যেসব দফতরে কর্মীরা এসে কাজ করছেন সেইসব দফতর যেন পর্যাপ্ত ভাবে স্যানিটাইজ করা হয় সেদিকেও কড়া নজর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications