নতুন বছরের আগেই দেশজুড়ে বাড়ছে করোনা উদ্বেগ! একনজরে কেন্দ্রের নয়া এসওপি
নতুন বছর শুরুর আগে ফের উদ্বেগ বাড়াতে শুরু করেছে কোরোনা। ব্রিটেনে করোনার নতুন এক ধরনের স্ট্রেনের হদিস মিলেছে। ইতিমধ্যেই সেখানকার একাধিক শহরে নতুন করে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। করোনার নতুন স্ট্রেনকে রুখতে তৎপরতা শুরু হয়ে গেছে ভারতেও। ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্রিটেনের সঙ্গে সমস্ত উড়ান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এবার ব্রিটেন থেকে আগত যাত্রীদের জন্য স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল জারি করল কেন্দ্র।

পৃথক আইসোলেশনে পাঠানো হবে কাদের?
আগত প্রত্যেক বিমানযাত্রীকে অবতরণের সঙ্গে সঙ্গে বাধ্যতামূলকভাবে আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করাতে হবে। যাঁদের শরীরে করোনার নতুন স্ট্রেনের হদিস মিলবে, তাঁদের পৃথক আইসোলেশনে পাঠানো হবে। যে যাত্রীর শরীরে ভাইরাসের হদিস পাওয়া যাবে, তাঁর সহযাত্রীদের প্রত্যেককে বাধ্যতামূলকভাবে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে থাকতে হবে।

স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকলে কী বলা হয়েছে
স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের তরফে জারি করা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকলে বলা হয়েছে, ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল আশঙ্কা করছে ভাইরাসের এই নতুন স্ট্রেন আগের তুলনায় আরও দ্রুত সংক্রমিত হতে পারে। তুলনামূলকভাবে কমবয়সিদের ক্ষেত্রে সংক্রমণ বেশি হওয়ার সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে ইউরোপিয়ান সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল।

নতুন এই স্ট্রেনটিতে ১৭টি পরিবর্তন
স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, নতুন এই স্ট্রেনটিতে ১৭টি পরিবর্তন লক্ষ্য করা গেছে। সবথেকে বড় যে পরিবর্তনটি এসেছে তা হল এটির সংক্রমণ ক্ষমতা আগের তুলনায় অনেক বেশি এবং একজনের থেকে অন্যের শরীরে আরও সহজে ছড়িয়ে পড়তে পারে। যদি দেখা যায়, কারোর শরীরে পুরানো ভাইরাস রয়েছে, তাহলে বর্তমানে যে পদ্ধতিতে চিকিৎসা চলছে সেভাবেই চলবে। সেক্ষেত্রে তাঁর শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতে হোম আইসোলেশনে বা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হবে।

কাদের জন্য এসওপি প্রযোজ্য হবে?
এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেন থেকে বা ব্রিটেনের কোনও বিমানবন্দর হয়ে যে সকল যাত্রী ভারতে এসেছেন তাঁদের সকলের জন্য স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রোটোকল জারি করেছে কেন্দ্র। শেষ চার সপ্তাহ অর্থাৎ, ২৫ নভেম্বর থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত আগত বিমানযাত্রীদের ক্ষেত্রে এই এসওপি প্রযোজ্য হবে।

আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করানো বাধ্যতামূলক
এই সময়ের মধ্যে আগত প্রত্যেক যাত্রীকে তাঁদের শেষ ১৪ দিনের ট্রাভেল হিস্ট্রি জানাতে হবে। একটি সেল্ফ ডিক্লেয়ারেশন ফর্ম পূরণ করতে হবে। বিমানবন্দরে অবতরণের সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যেককে বাধ্যতামূলকভাবে আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করাতে হবে। যদি কারও শরীরে কোরোনার হদিস মেলে তবে তাঁদের স্পাইক জিন-বেসড আরটি-পিসিআর পরীক্ষা করানো হবে।












Click it and Unblock the Notifications