লকডাউনে মধ্যরাতে ১৪ জন মহিলা আটকে পড়েছিলেন! বামশাসিত রাজ্যে এরপর কী ঘটল
সন্ধ্যে ৮ টা নাগাদ দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করে দিয়েছিলেন যে সেইদিনই মধ্যরাত থেকে গোটা দেশে লক ডাউন জারি হবে করোনা রুখতে। আর সেই ২৪ মার্চ রাতে ১২ টা পার হতেই সমস্যায় পড়ে যান ১৪ জন মহিলা। রাত দেড়টায় যখন কেরল-কর্ণাটক সীমান্তে তাঁরা দাঁড়িয়ে তখন শেষ আশা হিসাবে তাঁরা ফোন করেন বামশাসিত কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে।

শেষ আশা..
সমস্ত চেষ্টা করেও কেরল-কর্ণাটক সীমান্ত থেকে বেরিয়ে যেতে পারছিলেন না ১৪ জন মহিলা। বিভিন্ন জায়গায় ফোন করে, যোগাযোগ করেও সুরাহা হয়নি। শেষ আশা বলতে বেঁচে ছিল কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর সাহায্যের আশা। তাও কার্যত ছেড়েই দিয়েছিলেন তাঁরা! এরপর রাত দেড়টা নাগাদ কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নকে ফোন করতেই , মুখ্যমন্ত্রী নিজেই ফোনটি ধরেন। এরপর যা ঘটেছে তা শিরোনাম কেড়েছে খবরের।

২ বার ফোন রিং হতেই..
মুখ্যমন্ত্রীর ফোন ২ বার রিং হতেই ফোন ধরেন বিজয়ন। ১৪ মহিলার বিপদের কথা শুনেই তিনি নিকটবর্তী জেলাশাসকের ফোন নম্বর দিয়ে দেন। যোগাযোগ করিয়ে দেন নিকটবর্তী পুলিশ সুপারিন্টেডেন্টের সঙ্গে। পাশপাশি কর্ণাটকে আটকে পড়া কেরলের বাসিন্দা ওই মহিলাদের যাবতীয় সাহায্যের জন্য নির্দেশ দেন সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের।

মুথাঙ্গার ঘন জঙ্গল ও ঘরে ফেরার আশা
এর আগে, কেরল-কর্ণাটক সীমান্তের কাছে রয়েছে মুথাঙ্গার ঘন জঙ্গল। যেখানে হাতির তাণ্ডবের খবর প্রায়ই উঠে আসে। আর সেখানের আশপাশেই ওই মহিলারা আটকে ছিলেন। হায়দরাবাদ থেকে ফেরা ওই মহিলাদের গাড়ির চালক জানিয়ে দেন লকডাউনের মধ্যে তিনি হায়দরাবাদ ফিরে যেতে চান। এমন পরিস্থিতিতেই কেরলের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ফোন যায়।

এরপর মুখ্যমন্ত্রীর পদক্ষেপ
মধ্যরাতে কেরলের ওই বিপদগ্রস্ত মহিলাদের ফোন পেয়ে তাঁদের উদ্ধারের যাবতীয় নির্দেশ দেন পিনরাই বিজয়ন। এরপর নিরাপদে সকাল ১১ টার মধ্যে কেরলে নিজেদের বাড়ি ফেরেন মহিলারা। ঘটনার কথা ফেসবুকে নিজেরাই জানিয়েছেন এই মহিলাদের মধ্যে একজন।












Click it and Unblock the Notifications