করোনা দংশন:'আইসোলেশন' এর ১৪ দিন কতটা ভয়ঙ্কর! জানালেন সুস্থ হয়ে ওঠা রোগী
শত্রু অজানা, রোগের ওষুধও নিশ্চিত নয়, তবুও বিশ্ব জুড়ে লড়াই চলছে এক বিপজ্জনক পরিস্থিতির সঙ্গে। এমন অবস্থায় একের পর এক মানুষ চলে যাচ্ছেন করোনা ভাইরাসের দংশনে। তবে , সেই রোগের প্রহর কাটিয়ে ফিরে আসা মানুষের সংখ্যাটাও কিছু কম নয়। এমনই একজন ৪৫ বছরের দিল্লির ব্যবসায়ী , যিনি দিল্লির প্রথম করোনা আক্রান্ত। তিনি নিজেই মুখ খুলেছেন এই রোগের চিকিৎসা প্রক্রিয়া নিয়ে।

'ভয়ের কারণ নেই'
'ভয়ের কারণ নেই। অন্যান্য জ্বরের মতোই এই জ্বর। ..'
এমন ভাবেই পরিস্থিতি সম্পর্কে অভয়দান করেছেন দিল্লির রোগী। তিনি বলছেন , যদি কোনও সুস্বাস্থ্যের অধিকারী মানুষের এই রোগ হয়, তাহলে তাঁর সুস্থ হওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হবে না। তবে জরুরী হল, আগে থেকে সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে ওঠা।

আইসোলেশন ওয়ার্ড কেমন ছিল?
দিল্লির ওই ব্যবসায়ীর দাবি, আইসোলেশন ওয়ার্ড মোটেও ব্যাপক ভয়ঙ্কর কিছু নয়। সেখানে রোদের আলো পৌঁছবেনা এমন 'জেলখানা' আইসোলেশন ওয়ার্ড নয়।

কী কী ঘটেছিল তাঁর সঙ্গে?
দিল্লির ওই ব্যবসায়ী জানান, ২৫ ফেব্রুয়ারি তিনি ইওরোপ থেকে ফিরেছেন। পরের দিন থেকেই জ্বর। তিনি চিকিৎসকের কাছে যেতেই, চিকিৎসক তাঁকে জানান,তাঁর গলায় সংক্রমণ রয়েছে। তিন দিনের জন্য ওষুধ দেন চিকিৎসক। এরপর ২৮ তারিখ তিনি সুস্থ হয়ে যান।তারপর ২৯ তারিখ থেকে শুরু হয় ফের জ্বর। ১ মার্চ তাঁকে করোনা পজিটিভ হিসাবে ঘোষণা করা হয়।

চিকিৎসকরা সাহায্য় করছেন
দিল্লির ওই ব্যক্তির দাবি, যতদিন না জানা যাচ্ছিল যে তাঁর কোন রোগ হয়েছে, ততদিন পর্যন্তই চিন্তায় ছিলেন তিনি। তবে, রোগে জানার পর সফদরজং হাসপাতালে তিনি যেতেই চিকিৎসকদের দল যেভাবে তাঁর সেবা করেন, তিনি তাতে সুস্থবোধ করেন।

ভারতে চিকিৎসা পরিষেবা ভালো রয়েছে
দিল্লির ওই ব্যবসায়ী জানান, ভারতে চিকিৎসা পরিষেবা বেশ ভালো। তিনি জানান, সরকারি সফদরজং হাসপাতালে আইসোলেশন থেকে শুরু করে সমস্ত পরিষেবাই উন্নতমানের। উল্লেখ্য, দিল্লির এই ব্যক্তিই প্রথম নন, এর আগে কেরলের ৩ জন করোনা রোগীকে সুস্থভাবে ঘরে ফিরতে সাহায্য করেন চিকিৎসকরা।












Click it and Unblock the Notifications