উদ্বেগ বাড়িয়ে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ, তাপমাত্রার পারদ পতনে নতুন বিপদের আশঙ্কা
উদ্বেগ বাড়িয়ে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ, তাপমাত্রার পারদ পতনে নতুন বিপদের আশঙ্কা
গোটা দেশেই শীতের কামড় তীব্র হচ্ছে। তার সঙ্গে দৈনিক করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ২৪,৩৩৭ জন। কমেছে সুস্থতার সংখ্যাও। করোনা সংক্রমণে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন ৩৩৩ জন। দেশে মোট করোনা ভাইরাসের সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১,০০,৫৫,৫৬০। শীত বাড়লে করোনা সংক্রমণ আরও বাড়বে আশঙ্কা করছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক। এই নিয়ে জরুরি বৈঠকও সেরেছে তারা।

ফের বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ
ডিসেম্বরের প্রথম থেকে দৈনিক করোনা সংক্রমণ কম ছিল গোটা দেশে। তাতে অনেকটাই স্বস্তিতে ছিল স্বাস্থ্যমন্ত্রক।
হঠাৎ করে গোটা দেশে পারদ পতন শুরু হতেই করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। সামনেই বড়দিন। দেশে শীতের উৎসব শুরু হবে। নতুন করে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধিতে বড় দিনের উৎসব মাটি করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২৪,৩৩৭ জন। ২৪ ঘণ্টায় মারা গিয়েছেন ৩৩৩ জন। যার জেরে শেষে মোট করোনা ভাইরাস সংক্রমণের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১,০০,৫৫,৫৬০ জন।

শীত বাড়লে বাড়বে করোনা
শীত পড়ার সঙ্গে সঙ্গে দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করবে এমন আসঙ্কার কথা আগেই শুনিয়েছিলেন গবেষকরা। সেই আশঙ্কাই তাহলে সত্যি হতে চলেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি সেদিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে। করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে গোটা দেশে। দিল্লি সহ গোটা উত্তর ভারতে শৈত্য প্রবাহ শুরু হয়েছে। সোমবার দিল্লিতে তাপমাত্রা ৭ ডিগ্রিতে নেমে গিয়েছে। রাজস্থানের মাউন্ট আবুতে তাপমাত্রা মাইনাস ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছে গিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গেও তাপমাত্রার পরদ পতন শুরু হয়ে গিয়েছে। বড়দিন পর্যন্ত এই শীত জারি থাকবে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

ব্রিটেনে সংক্রমণ ভাবাচ্ছে
এদিকে ব্রিটেনে নতুন এক ভয়ঙ্কর করোনা ভাইরাসের স্ট্রেইন মিলেছে। তাতে উদ্বেগ বেড়েছে গোটা বিশ্বের। বিট্রেনে করোনা সংক্রমণ মারাত্মক আকার নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ইউরোপীয় উইনিয়নের দেশগুলি ব্রিটেনের জন্য দরজা বন্ধ করে দিয়েছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রকও জরুরি বৈঠকে বসেছে। এদিকে আগামী ২৬ জানুয়ারি দেশে বিশেষ অথিতি হয়ে আসছেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন।

ভ্যাকসিন তৎপরতা
করোনা সংক্রমণের ভ্যাকসিন তৎপরতা শুরু হয়ে গিয়েছে দেশে। জানুয়ারি মাসেই ভারতের হাতে করোনা ভাইরাসের ভ্যাকসিন হাতে আসবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই ভারতের অনুমোদনের জন্য অনুমতি চেয়েছে ফাইজার ও সিরাম ইনস্টিটিউট। এখনও পর্যন্ত মোদী সরকার এই দুটি ভ্যাকসিনের অনুমোদন দেয়নি। কোভ্যাকসিনও অনুমতি চেয়েছে কেন্দ্রের কাছ থেকে।












Click it and Unblock the Notifications