১ মে থেকে করোনা গ্রাফের হঠাৎ পরিবর্তন, চিন্তা বাড়িয়ে কোন পথে এগোচ্ছে সংক্রমণ
করোনা সংক্রমণ কমার চেয়ে বাড়ছে দেশে। ১ মে থেকে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ হঠাৎ করে উর্ধ্বগামী হয়েছে।
করোনা সংক্রমণ কমার চেয়ে বাড়ছে দেশে। ১ মে থেকে করোনা সংক্রমণের গ্রাফ হঠাৎ করে উর্ধ্বগামী হয়েছে। একদিনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮৭৫ জন। এযাবত যা সর্বাধিক। যদিও হিসেব মত মে মাস থেকে করোনা সংক্রমণ কমা উচিত ছিল দেশে। ঠিক তার উল্টো হতে শুরু করেছে। এদিকে তৃতীয় দফার লকডাউনে অনেক কিছুতে ছাড় দেওয়া হয়েছে।

মে মাসে বাড়ছে সংক্রমণ
গোষ্ঠি সংক্রমণ শুরু হয়নি ভারতে। দ্বিগুণ হারে সংক্রমণের সময়ও দীর্ঘায়িত হয়েছে। কিন্তু তাতে সংক্রমণ কমেনি। উল্টে বেড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে এপ্রিলের ৮ তারিখ থেকে ১ মে পর্যন্ত যে হারে সংক্রমণ হচ্ছে দেশে। সেটা বাড়তে শুরু করেছে ১ মে-র পর থেকে। দিনে ২০০০-র বেশি করে করোনা সংক্রামিত হচ্ছেন দেশে। ৪ তারিখ করোনা সংক্রমণ ছড়িয়েছে ২৫৭৩ জনের(৮৩ মৃত)। ৩ মে সেটা ছিল ২৪৮৭ ছিল সংক্রমণ। এবং ২ মে সংক্রমণ ছিল ২৪১১ জন। ৫ মে সেটা সর্বাধিক হয়েছে ৩৮৭৫ জন।

৫০,০০০ ছুঁই ছুঁই সংক্রমণ
করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ গোটা দেশে প্রায় ৫০,০০০ ছুঁই ছুঁই। আর একদিনের মধ্যে ৫০,০০০ অতিক্রম করবে। এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে দেশে। তার সঙ্গে বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। এখনও পর্যন্ত ১৬৯৪ জনের মৃত্যু হয়েছে করোনা ভাইরাসে। একদিনে ১৯৪ জন মারা গিয়েছে। এদিকে একাধিক রাজ্যে শিথিল করা হয়েছে লকডাউন। রেডজোন, অরেঞ্জ জোন, গ্রিন জোন সর্বত্র মদের দোকান খোলায় ছাড় দেওয়া হয়েছে। তাতে সরকারের কোষাগার ভরলেও সংক্রমণের সম্ভাবনা ভয়ঙ্কর হারে বেড়েছে।

লকডাউনে ছাড়ের কারণেই সংক্রমণ বৃদ্ধি
৪ তারিখ থেকে গোটা দেশে তৃতীয় দফার লকডাউন শুরু করা হয়েছে। তবে এইবারের লকডাউনে তেমন কড়াকড়ি নেই। একাধিক জায়গায় দোকান বাজার খোলার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তিনটি জোনেই মদের দোকান খোলা হয়েছে। তাতে উপচে পড়ছে ভিড়। সংক্রমণের আশঙ্কা জেনেও মদ কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন মানুষ। ২১ দিনের টানা লকডাউনে করোনা সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে ছিল। কিন্তু তৃতীয় দফার লকডাউনে ছাড় দেওয়ায় সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications