গতকালের চেয়ে বাড়ল দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৪৩ জনের
গতকালের চেয়ে বাড়ল দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ৩৪৩ জনের
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসের দৈনিক সংক্রমণের গ্রাফ অনেকটাই বাড়ল। আক্রান্ত হয়েছেন ৭,৯৭৪ জন। প্রায় একদিনে ৮ হাজারের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ। গতকাল সেটা ছিল সাড়ে ৬ হাজারারেরে কাছা কাছি। গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে দৈনিক মৃত্যুর গ্রাফও। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে মারা গিয়েছেন ৩৪৩ জন। গতকাল সংখ্যাটা ছিল ২৪৭ জন।

গতকাল থেকে ওমিক্রন সংক্রমণের সংখ্যা বাড়ছে। মঙ্গলবার রাতে মহারাষ্ট্রে ওমিক্রন সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৮ জনের শরীরে। আবার বুধবার বাংলায় ওমিক্রন সংক্রমণ ধরা পড়েছে ৭ বছরের শিশুর শরীরে। গতকালই বাংলায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের গ্রাফ উঠতে শুরু করেছিল। গোটা দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণও উর্ধ্বমুখী হয়েছে। গতকালের চেয়ে অনেকটাই বেড়েছে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের গ্রাফ। এক ধাক্কায় ১০০০-র বেশি বেড়েছে দেশের দৈনিক করোনা সংক্রমণ। গতকাল যেটা ৬ হাজারের ঘরে ছিল সেটা এক ধাক্কায় বেড়ে ৮ হাজার ছুঁই ছুঁই হয়ে গিয়েছে। তার সঙ্গে বেড়েছে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা।
ওমিক্রন সংক্রমণ ধরা পড়ায় বাংলায় করোনা বিধি ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বহাল রাখা হয়েছে। কর্নাটকর, রাজস্থান, মহারাষ্ট্র, কেরল, গুজরাতের পর এবার বাংলাতেও ঢুকে পড়েছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ। যদিও গবেষকরা বারবারই দাবি করে চলেছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ তেমন ভয়াবহ নয়। ডেল্টার মত মারণ নয় ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণে মৃদু উপসর্গ দেখা দিচ্ছে আক্রান্তদের শরীরে। এখনও পর্যন্ত ভারতে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণে কেউ মারা যাননি। কর্নাটক এবং রাজস্থানে যাঁরা আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁরা সুস্থ হয়ে উঠেছেন। কাজেই এই নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই। এমনই মার্কিন ওষুধ প্রস্তুতকারক সংস্থা ফাইজারের তৈরি অ্যান্টি কোভিট ট্যাবলেট নাকি ম্যাজিকের মত কাজ করছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সংক্রমণ রুখতে। দক্ষিণ আফ্রিকার চিকিৎসকরা দাবি করেছেন ডেল্টার থেকে উপসর্গ খুব বেশি আলাদা নয় ওমিক্রনের। কাজেই সহজে আপাতদৃষ্টিতে ডেল্টা না ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট সেটা ফারাক করা যাচ্ছে না।
গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৭,৯৪৮ জন। গতকাল সংখ্যাটা ছিল ৮ হাজারের ঘরে। কাজেই সুস্থতার সংখ্যাও আপেক্ষিকভাবে কমেছে। দেশে খন অ্যাক্টিভ রোগীর সংখ্যা ৮৭,২৪৫ জন। দেশে মোট সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,৪১,৫৪,৮৭৯ জন। দেশে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪,৭৪,৪৭৮ জন। মোদী সরকার দ্রুত টিকাকরণ জোর দিয়েছেন। এখনও পর্যন্ত দেশে টিকাকরণ হয়েছে ১,৩৫,২৫,৩৬,৯৮৬ জনের। ইতিমধ্যেই ভারত ১০০ কোটির টিকাকরণের মাইস্টোন পার করে গিয়েছে। কাজেই বাকি টিকাকরণ শেষ করতে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের তৎপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। প্রয়োজনে বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকাকরণ করানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।












Click it and Unblock the Notifications