দেশে চাকরির পরিস্থিতি: MGNREGA নিয়ে কোন আশঙ্কার মেঘ!

দেশে চাকরির পরিস্থিতি: MGNREGA নিয়ে কোন আশঙ্কার মেঘ!

বহু রাজ্য ছেড়ে ভিন রাজ্যে ঘরে ফেরার জন্য পা বাড়িয়ে ছিলেন দেশের পরিযায়ী শ্রমিকরা। করোনার ভাইরাসের জেরে লকডাউন গোটা দেশকে এক ধরাশায়ী অর্থনীতির দিকে ঠেলে দিয়েছে। এমন অবস্থায় , MGNREGA নিয়ে বেশ কিছু তথ্য উঠে আসছে।

 বাড়ছে কাজের চাহিদা

বাড়ছে কাজের চাহিদা

প্রতি মাসেই এমজিনারেগা ঘিরে কাজের চাহিদা বাড়ছে। এই প্রকল্পের আওতায় কাজ করতে চেয়ে মানুষের রোজগারের চাহিদা বাড়ছে। তবে তার জন্য যোগ্য যোগান মিলছে না। কাজের চাহিদা থাকলেও , যোগান সঠিক না মেলায় MGNREGA ঘিরে সংকটের মেঘ। মূলত, পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরার পর থেকে গোটা দেশের অর্থনীতি ধসের দিকে। আর তার পরোক্ষ প্রভাব পড়েছে MGNREGA র মতো প্রকল্পে।

খরিফের মরশুমে কাজের চাহিদা থাকে..

খরিফের মরশুমে কাজের চাহিদা থাকে..

প্রতিবছরই খরিফ ফসলের মরশুমে এই প্রকল্পের আওতায় কাজের চাহিদা থাকে। তবে এবছর এই চাহিদা প্রবল পরিমাণে বেড়েছে। দেখা যাচ্ছে, যে সমস্ত গৃহস্থ কাজ করতে চায়, আর যে গৃহস্থে কাজ দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যে বিস্তর পার্থক্য। ২০২০ -২১ সালে এই পার্থক্য প্রবল আকার নিয়েছে।

 পরিসংখ্যান কী বলছে?

পরিসংখ্যান কী বলছে?

৭, ৬৭, ৩৪৬ জন এই আর্থিক বর্ষে MGNREGA র আওতায় কাজ করতে চেয়েছেন। তবে মাত্র ৫৫৪৭২৬ জনকেই এই কাজ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। তবে এমন প্রকল্পের জেরে গ্রামীণ অর্থনীতিতে এই লকডাউনের মরশুমেও ভালো প্রভাব পড়েছে।

 গ্রামীণ অর্থনীতির হাল

গ্রামীণ অর্থনীতির হাল

পরিসংখ্যানের বিচারে গ্রামীণ ভারতের চাকরির পরিস্থিতি ইতিবাচক। শহরে ১১. ২ শতাংশ মানুষ কর্মসংস্থানের আওতায় রয়েছেন। অন্যদিকে, গ্রামে ৭.২৬ শতাংশ মানুষ কর্মসংস্থানের আওতায়। শহরে পরিকাঠামো যেখানে গ্রামের থেকে অনেক উন্নত সেখানে এই পরিসংখ্যান অনেকটাই লজ্জাজনক। অন্যদিকে, গ্রামেএমনারেগার মতো প্রকল্পে কাজ শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক হচ্ছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+