স্বস্তি দিয়ে দেশের করোনা সংক্রমণ নামল ২ হাজারের নীচে, মৃতের সংখ্যায় উদ্বেগ জারি
করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার দিকে দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে ভারত। করোনার দৈনিক সংক্রমণ নেমে গিয়েছে ২ হাজারের নীচে। দীর্ঘদিন পর দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা নামল ২ হাজারের নীচে।
করোনা থেকে সুস্থ হওয়ার দিকে দ্রুত গতিতে এগোচ্ছে ভারত। করোনার দৈনিক সংক্রমণ নেমে গিয়েছে ২ হাজারের নীচে। দীর্ঘদিন পর দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা নামল ২ হাজারের নীচে। তবে মৃতের সংখ্যা নিয়ে উদ্বেগ কিছুতেই যাচ্ছে না। কদিন আগেই মৃত্যু নেমে গিয়ছেন ৫০-এর নীচে। এদিন আবার তা ১২৫ ছাড়িযে গেল।

দেশের বুকে করোনায় মৃতের সংখ্যা বা মৃত্যু হার নিয়ে চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা। করোনায় মৃতের সংখ্যায় ওঠা-পড়া লেগেই রয়েছে। কখনও ১০০-র নীচে নেমে যাচ্ছে, আবার ২৫০-র উপরে উঠে যাচ্ছে। সম্প্রতি করোনায় মৃতের সংখ্যা নেমে গিয়েছিল ৫০-এ। তারপর এদিন ফের তা বেড়ে হয়েছে ১২৭। ফলে উদ্বেগ যাচ্ছে না কিছুতেই।
তবে করোনার দৈনিক সংক্রমণ গ্রাফে দেখা মিলেছে স্বস্তির ছবি। ভারতে করোনার দৈনিক সংক্রমণ রবিবার দু হাজারের ঠিক উপরেই। গতদিনের তুলনায় করোনা কমল প্রায় ১৫ শতাংশ। করোনার সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে বর্তমানে। একটা সময় প্রায় তিন লক্ষ করে দৈনিক সংক্রমণ হয়েছে। সেখানে এদিন দৈনিক সংক্রমণ নেমেছে প্রায় দেড় হাজারে। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্যে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘন্টায় ভারতে ১৭৬১ জন করোনা সংক্রমিত হয়েছেন। এই মুহূর্তে দেশে করোনার মোট সংক্রমণ ৪ কোটি ৩০ লক্ষ ৭ হাজার ৮৪১।
ভারতে করোনার তৃতীয় ঢেউয়ে সুনামির আকার নিতে শুরু করেছিল সংক্রমণ। সেইসঙ্গে আবার দেশে করোনায় মৃত্যু সংখ্যাও বেড়ে গিয়েছিল বহুগুণ। করোনায় মৃতের সংখ্যা ১২০০-র উপরে উঠে গিয়েছিল একটা সময়ে। সেখান থেকে কমে ৫০-এর নীচে নেমে যায় করোনায় দৈনিক মৃতের সংখ্যা। এদিন করোনার দৈনিক মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১২৭। করোনায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা ৫,১৬,৫১০-এ পৌঁছে গিয়েছে।
ভারতে গত ২৪ ঘন্টায় মোট ৩ হাজার ১৯৬ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন, যা সারা দেশে মোট করোনামুক্তের সংখ্যাকে পৌঁছে দিয়েছে ৪,২৪,৬৫,১২২-তে। করোনামুক্তের সংখ্যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে প্রায় দু-গুণ এদিন। এদিন করোনা সক্রিয় কমেছে ১৫৬২। এই মুহূর্তে করোনা সংক্রিয়ের সংখ্যা ২৬ হাজার ২৪০ জন। রবিবারের পরিসংখ্যানে দেশে সংক্রমণের গ্রাফ যথেষ্ট কমলেও মৃত্যুহার নিয়ে উদ্বেগ জারি রয়েছে।
করোনার দৈনিক সংক্রমণ, সংক্রমণের হার ও করোনা মুক্তের সংখ্যায় স্বস্তি ফিরেছে। কয়েকদিন ধরেই আতঙ্ক ছিল মৃতের সংখ্যা নিয়ে। কেরলে সংক্রমণ এখনও অন্য রাজ্যের তুলনায় অনেকটাই বেশি। এদিনও করোনার সর্বোচ্চ সংখ্যা নথিভুক্ত হয়েছে কেরলেই। কেরলে সংক্রমিত হয়েছেন ৭১৯ জন। সেখানে মহারাষ্ট্রে সংক্রমিত হয়েছেন ৯৭ জন মাত্র। কর্নাটকে সংক্রমিত ১৭৩ জন। আর বাংলায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩৩ জন।
করোনার মোট সংক্রমণে শীর্ষ পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে সবার প্রথম মহারাষ্ট্র। তারপরে রয়েছে কেরল। কর্নাটক রয়েছে তিন নম্বরে। পশ্চিমবঙ্গ রয়েছে ৭ নম্বরে। পশ্চিমবঙ্গের উপরে রয়েছে তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশ ও উত্তরপ্রদেশ। দৈনিক সংক্রমণে সবার উপরে কেরল। তারপর রয়েছে কর্নাটক, তারপর মহারাষ্ট্র।












Click it and Unblock the Notifications