করোনার যে ভ্যারিয়েন্টগুলি ক্রমেই বিশ্বের কাছে ত্রাস হয়ে উঠছে! মুক্তির পথ নিয়ে বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন

একাধিক করোনা ভ্যারিয়েন্ট ক্রামগতভাবে বিশ্বের কাছে ত্রাস হয়ে উঠছে। যেভাবে হু হু করে করোনার জেরে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়তে শুরু করেছে, তাতে রীতিমতো উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এদিকে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনার বাড়বাড়ন্ত দেখা যাচ্ছে। এদিকে, গবেষণা বলছে, বেশ কিছু ভাইরাস এমনভাবে নিজেকে মিউট্যাট করছে যাতে তা ভ্যাকসিনের রক্ষা কবচকেও হার মানায়। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্ন হচ্ছে, করোনার ত্রাস বাড়িয়ে আরও বহু ধরনের ভ্যারিয়েন্টের মোকাবিলাই কি করতে হবে বিশ্বকে? এই পরিস্থিতি থেকে রক্ষা পওয়ার একমাত্র অস্ত্র কী হতে পারে?

 ডেল্টা ত্রাস

ডেল্টা ত্রাস

উল্লেখ্য, ডেল্টা ভাইরাসের খোঁজ ভরাতেই প্রথম পাওয়া গিয়েছে। গ্রিক অ্যালফাবেট ডেল্টার নামকরণে এই ভাইরাসকে চিহ্নিত করেছেন বিজ্ঞনীরা। ইতিমধ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে গিয়েছে ডেল্টা ভাইরাস। বহু জায়গায় দেখা গিয়েছে, করোনার ভ্যাকসিন নিয়েও ডেল্টার দাপটে অনেকেই আক্রান্ত। সেই জায়গা থেকেই বেড়েছে আতঙ্ক। দেখা গিয়েছে বহু ক্ষেত্রে আগের ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় এই ভ্যারিয়েন্ট ভ্যাকসিন নেওয়ার পর বেশি আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে শরীরকে অসুস্থ করে দিয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ইতিমধ্যেই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টকে ভ্যারিয়েন্ট অফ কনসার্ন বলে অভিহিত করেছে।

ল্যাম্বডা

ল্যাম্বডা

পেরুতে গত ডিসেম্বর মাসে প্রথমবার করোনার ল্যাম্বডা ভ্যারিয়েন্ট প্রবল বেগে আক্রমণ শুরু করে। তবে আপাতত এর যা গতিত , তাতে ল্যাম্বডা ডেল্টার মতো করে সেভাবে আক্রমণ চালাতে পারছে না।

মু-আতঙ্ক

মু-আতঙ্ক

গ্রিক অক্ষর 'মু' এর আদলে এই নয়া ভ্যারিয়েন্টের নামকরণ করা হয়েছে। মু ভ্যারিয়েন্ট মূলত, B.1.621 বলে জানা যায়। জানুয়ারি মাসে কলম্বিয়াতে এই ভ্যারিয়েন্টকে পাওয়া যায়। এই ভ্যারিয়েন্টেকর মিউটেশনই একে বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার তরফে ভ্যারিয়েন্ট অফ কনসার্ন বলে অভিহিত করেছে। রিপোর্ট বলছে, দক্ষিণ আমেরিকা ও ইউরোপে মু ভ্যারিয়েন্ট রীতিমতো ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করেছে। একটা বিশাল অংশের জনজাতিকে এই ভ্যারিয়েন্ট আক্রমণ করে যাচ্ছে।

মুক্তির পথ কোথায়?

মুক্তির পথ কোথায়?

করোনা আতঙ্ক থেকে মুক্তির পথ আপাতত মানুষের হাতে একমাত্র রয়েছে ভ্যাকসিনের দ্বারা। গবেষকরা বলছেন, করোনাকে হু হু করে ছড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা করতে মুক্তির পথ হিসাবে কেবলই ভ্যাকসিনেশ প্রয়োজন। কারণ হার্ড ইমিউনিটি যদি রোধ করতে হয়, তাহলে ভ্যাকসিনেশনই একমাত্র রাস্তা। দাবি গবেষকদের। এদিকে বেশ কিছু গবেষণার ফলাফল বলছে, বর্তমানে যা পরিস্থিতি তাতে , করোনার জেরে এই নতুন ভ্যারিয়েন্টগুলি সহজে ভ্যাকসিনের রক্ষাকবচকে সরিয়ে দিতে পারবে। সেই জায়গা থেকে সংক্রমণ রোখার জন্য ভ্যাকসিনের এই নয়া রক্ষা কবচ খানিকদিন চলতে পারে। তবে ভাইরাসকে ব্লক করার ক্ষেত্রে এই ভ্যাকসিন খুব একটা কার্যকরী হবে না। সেই জায়গা থেকে ভ্যাকসিনের গবেষণা আরও গভীর পর্যায়ে তরান্বিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

খবরের ডেইলি ডোজ, কলকাতা, বাংলা, দেশ-বিদেশ, বিনোদন থেকে শুরু করে খেলা, ব্যবসা, জ্যোতিষ - সব আপডেট দেখুন বাংলায়। ডাউনলোড Bengali Oneindia

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+