একধাক্কায় সারা দেশে ৪০ শতাংশ বাড়ল করোনা সংক্রমণ
একধাক্কায় সারা দেশে ৪০ শতাংশ বাড়ল করোনা সংক্রমণ
গত চব্বিশ ঘণ্টায় ৯১৯৫ জন ভারতীয় নতুন করে আক্রান্ত হলেন কোভিডে। শেষ ২৪ ঘন্টায় মারা গিয়েছেন ৩০২ জন। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী, গত চব্বিশ ঘণ্টায় হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৭৩৪৭জন। দেখা যাচ্ছে সবমিলিয়ে সুস্থতার হার ৯৮.৪৯ শতাংশ। ২০২০ সালের মার্চ মাসে মহামারি আছড়ে পড়ার পর যা কিনা সর্বোচ্চ।

দেখা যাচ্ছে, ওমিক্রন আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ৭৮১। সবমিলিয়ে ভারতের সক্রিয় কেসের সংখ্যা ৭৭,০০২৷ তবে টিকাকরণও চলছে পুরোদমে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মোট ১৪৩.১৫ কোটি ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে দেশজুড়ে৷ ২০২০ সালের মার্চ মাসে দেশে প্রথম কোভিডে মৃত্যু ঘটেছিল। তখন থেকে এখন অবধি দেশে মৃত্যুর সংখ্যা ৪,৮০,৫৯২। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল মেডিকেল রিসার্চের তথ্য অনুযায়ী এখনও অবধি ৬৭, ৫২,৪৬,১৪৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১,৬৭,৬১২টি নমুনা মঙ্গলবার পরীক্ষা করা হয়েছে৷ দেশের অন্যতম কোভিড পীড়িত রাজ্য কেরল। গত দু'দিন সেই রাজ্যে ২০০০ এর কম করে মানুষ আক্রান্ত হচ্ছিলেন। তবে মঙ্গলবার এই সংখ্যাটা দাঁড়ায় ২৪৭৪ জনে।
এমনিতেই ওমিক্রন সংক্রমণে ঘুম উড়েছে গোটাদেশের। সংক্রমণ বাড়ায় রাজধানীতে ফের দরজা বন্ধ হয়েছে স্কুল-কলেজের। এমতাবস্থায় টিকাকরণের দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকার। এতদিন ধরে দেশব্যাপী গণটিকাকরণ তো চলছিলই। বড়দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী শিশুদের টিকার কথাও ঘোষণা করেন৷ মোদী বলেছেন, আগামী বছরের ৩ জানুয়ারি থেকে ১৫ বছর থেকে ১৮ বছর বয়সীদের টিকাকরণ শুরু হবে। বুস্টার ডোজ নিয়েও বড় ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মী থেকে শুরু করে ষাটোর্ধ্বরা আগে ওই ডোজ পাবেন বলে জানিয়েছেন মোদী৷
পাশাপাশি নতুন দুটি করোনা ভ্যাকসিনকে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। ওমিক্রনের সংক্রমণ রুখতে বুস্টার ডোজ ও অ্যান্টিবডি ককটেল নিয়ে পরীক্ষা শুরু করেছে ভারত৷ কোনভাবেই তৃতীয় ওয়েভকে দেশে মাথা চাড়া দিতে রাজী নয় কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক৷ সে কারণেই দিল্লি ও মহারাষ্ট্র সহ একাধিক রাজ্যে জারী হয়েছে বিশেষ সতর্কতা৷












Click it and Unblock the Notifications