বিমানবন্দরের সুরক্ষায় থাকা CISF জওয়ানদের মধ্যে দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণ
বিমানবন্দরের সুরক্ষায় থাকা CISF জওয়ানদের মধ্যে দ্রুত ছড়াচ্ছে করোনা সংক্রমণ
দিল্লি, মুম্বাই এবং বেঙ্গালুরুর মতো দেশের মেট্রো শহরগুলির প্রধান বিমানবন্দরগুলিতে সুরক্ষার দায়িত্বে থাকে কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী (সিআইএসএফ)। করোনা মহামারীর তৃতীয় তরঙ্গে সবচেয়ে বেশি সংক্রমিত হয়েছেন এই আধাসামরিক বাহিনীর জওয়ানরা। সরকারী তথ্য অনুসারে, গত চার দিনে আধাসামরিক বাহিনীতে সমস্ত সক্রিয় করোনা কেসের প্রায় ৩৫ শতাংশ রয়েছে সিআইএসএফ জওয়ানদের মধ্যে।

অসামরিক বাহিনীতে সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্সেস (সিএপিএফ) একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যে পাঁচটি বাহিনী সিএপিএফ গঠন করে সেগুলো হল বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ), সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ), সেন্ট্রাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি ফোর্স (সিআইএসএফ), ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশ (আইটিবিপি) এবং স্বশস্ত্র সীমা বল (এসএসবি)। সিআইএসএফ-এর শীর্ষ আধিকারিকরা একটি জাতীয় বৈদ্যুতিন সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে বেশিরভাগ জওয়ান যারা করোনা পরীক্ষা করেছিলেন তাঁদের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে! এঁরা মূলত দিল্লি এবং মুম্বাইয়ের বিমানবন্দরগুলিতে ডিউটিতে ছিলেন৷
১০ জানুয়ারী পর্যন্ত শুধু সিআইএসএফ-এ ১৩৭০টি সক্রিয় মামলা পাওয়া গিয়েছে। যেখানে সমস্ত আধাসামরিক বাহিনীর মধ্যে করোনা পজিটিভ জওয়ানদের সংখ্যা ছিল ৩৬৪৪। সরকারি সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য আরও দেখায় যে সিআইএসএফর জওয়ানদের মধ্যে ৬ জানুয়ারি পর্যন্ত ৩৭৯ সক্রিয় করোনার সংখ্যা ছিল৷ ৭ জানুয়ারি যা বেড়ে দাঁড়ায় ৪৮৫ টিতে। আধাসামরিক বাহিনীতে বেশি মাত্রায় করোনা পজিটিভ কেসের কথা একাদিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে৷
সিআইএসএফএর একজন অফিসার বিষঠি স্বীকার করে নিয়ে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, বিমানবন্দরে আমাদের মোতায়েন করার কারণেই এই সংক্রমণ। যদিও আমরা সমস্ত সতর্কতা অবলম্বন করি, মুখোশ এবং মুখের ঢাল পরে ডিউটিতে থাকি৷ এবং যাত্রীদের সঙ্গে যতটা কম যোগাযোগ করা যায় ততটাই করি, তবুও বাহিনীতে করোনা পজিটিভের সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে।












Click it and Unblock the Notifications